আলফাডাঙ্গায় নওয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে জমি দান করেও চরম ভোগান্তির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন দাতার স্বজনরা। একই সঙ্গে সাবেক ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং অনিয়মের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবারটি। গতকাল শনিবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জমিদাতা মৃত মকবুল হোসেনের মেয়ে মনিরা খানম ও ছেলে হারুন খান। লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, মকবুল হোসেন বিদ্যালয়টির জন্য জমি দান করলেও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কিছু অংশ ভোগদখলের অভিযোগ রয়েছে। বিপুল পরিমাণ জমি দিলেও দাতাকে দাতা সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। এ ছাড়াও সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ তালুকদারের বিরুদ্ধে স্কুলের জমি বিক্রিসহ নানা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়। অপরদিকে, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দবিরউদ্দিন পূর্বে দুর্নীতির দায়ে বরখাস্ত হওয়া সত্ত্বেও বেআইনিভাবে দায়িত্বে বহাল থেকে পুনরায় অনিয়ম চালাচ্ছেন বলে দাবি করা হয়। প্রতিবাদের খেসারত হিসেবে গত দুই বছর ধরে বেতন বন্ধ রেখে মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন জমিদাতার ছেলে ও ওই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হারুন খান। তবে সব অভিযোগ বানোয়াট বলে দাবি করেন অভিযুক্ত দুই শিক্ষক। এ বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক জানান, কাগজপত্র জটিলতায় ইএফটি প্রক্রিয়ায় কর্মচারীর বেতন আটকে আছে। তবে জমিদাতাকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।