কর্মজীবনে তরুণদের আত্মবিশ্বাস ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা বাড়ানোই প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য। যুক্তরাজ্যের শ্রম ও পেনশন বিভাগের (ডিডব্লিউপি) যৌথ পরিচালনায় এ কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ও চেইন শপগুলো।
বেকার তরুণদের জন্য আতিথেয়তা বা হসপিটালিটি খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করছে যুক্তরাজ্য। উদ্যোগটির আওতায় আগামী তিন বছর অন্তত এক লাখ তরুণকে নিয়োগ দেয়া হবে দেশটির বিভিন্ন ক্লাব, রেস্তোরাঁ ও হোটেলে। খবর দ্য গার্ডিয়ান।
কর্মজীবনে তরুণদের আত্মবিশ্বাস ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা বাড়ানোই প্রকল্পটির মূল লক্ষ্য। যুক্তরাজ্যের শ্রম ও পেনশন বিভাগের (ডিডব্লিউপি) যৌথ পরিচালনায় এ কর্মসূচিতে সরাসরি অংশ নিচ্ছে যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ও চেইন শপগুলো। এর মধ্যে রয়েছে রেস্তোরাঁ চেইন ওয়াগামামা, নান্দোস, বার্গার কিং ও হোটেল চেইন প্রিমিয়ার ইন।
উদ্যোগটির আওতায় ১৮-২৪ বছর বয়সী কাজ, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণহীন তরুণদের সর্বোচ্চ চার সপ্তাহের জন্য ইন্টার্নশিপের সুযোগ দেয়া হবে। এর মাধ্যমে তরুণরা কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দক্ষতা শিখতে পারবেন, যা তাদের স্থায়ী ক্যারিয়ার গড়তে সহায়ক হবে।
যুক্তরাজ্যের সাবেক স্বাস্থ্য সচিব অ্যালান মিলবার্নের যুব বেকারত্ববিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশের আগ মুহূর্তে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগের ঘোষণাটি এল। এর আগে অ্যালান মিলবার্ন সতর্ক করে বলেছিলেন, সরকার দ্রুত কার্যকরী ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে যুক্তরাজ্যে কর্মহীন ও শিক্ষাহীন তরুণের সংখ্যা ১২ লাখ ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
শ্রম ও পেনশনবিষয়ক সচিব প্যাট ম্যাকফাডেন বলেন, ‘উদ্যোগটি তরুণদের কর্মসংস্থানের প্রথম সিঁড়িতে পৌঁছতে সহায়তা করবে। শিল্পোন্নত জি৭-ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যে কর্মসংস্থানের হার এখন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ও যুবসমাজকে অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করতে এক লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী লুসি পাওয়েল জানান, নিয়মিত স্কুলে না যাওয়া বা ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিষয়গুলো নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, অনিয়মিত শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদে বেকার থাকার ঝুঁকিতে পড়ে। এ ঝুঁকি কমাতে ও তরুণদের ভাতানির্ভরতা কমিয়ে কাজে ফেরাতে নানা প্রশিক্ষণ ও সহায়তামূলক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার।
