আজকাল ওয়েবডেস্ক: চোট সারিয়ে প্রত্যাবর্তনেই দুরন্ত প্রতিকা রাওয়াল। তাঁর অপরাজিত শতরানে ভর করে জিম্বাবোয়েকে ৯ উইকেটে হারাল ভারত। ভদোদরায় ঐতিহাসিক প্রথম মহিলাদের একদিনের ম্যাচে জয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল স্মৃতি মান্ধানার দল। ১৯৮ রানের টার্গেট মাত্র ২৭.১ ওভারেই তুলে নেয় ভারত। রাওয়াল ৯৬ বলে ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন। ইনিংসে ছিল ১৫টি চার। ওয়ানডেতে তাঁর তৃতীয় শতরান।
রাওয়ালের পাশাপাশি বল হাতে ভারতের জয়ের ভিত গড়েন শ্রী চরণী। বাঁ হাতি স্পিনার ১০ ওভারে ২৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন। তাঁর কেরিয়ার সেরা বোলিংয়ে ১৯৭ রানেই গুটিয়ে যায় জিম্বাবোয়ে। দলের হয়ে ১৭ বছরের বেলাভড বিজা ৯২ বলে ৬২ রান করেন। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে জিম্বাবোয়ে। ক্রান্তি গৌড় প্রথম ধাক্কা দেন কেলিস এনদ্লোভুকে ফিরিয়ে। এরপর চরণী পরপর চিপো মুগেরি-তিরিপানো এবং মোডেস্টার মুপাচিকোয়েকে আউট করেন। দীপ্তি শর্মা তুলে নেন শার্নে মেয়ার্সের উইকেট। তবে ১৭ বছরের বেলাভড বিজা জিম্বাবোয়ের হয়ে লড়াই চালান। মিশেল মাভুঙ্গা (২৯) তাঁকে কিছুটা সঙ্গ দেয়। শেষপর্যন্ত গৌড় মাভুঙ্গা এবং বিজা, দু'জনকেই ফেরান। শেষ ওভারে তেনদাই মাকুশাকে বোল্ড করে জিম্বাবোয়ের ইনিংস শেষ করেন দীপ্তি। ৪৯.৩ ওভারে ১৯৭ রানে অলআউট হয়।
এই ম্যাচেই ভারতের হয়ে একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয় অসমের পেসার জিন্তিমণি কালিতার। হরমনপ্রীত কৌরের হাত থেকে ক্যাপ নেন নবাগত। পাঁচ ওভারে মাত্র ২৩ রান দেন। উইকেট পাননি। রান তাড়া করতে নেমে রাওয়ালের সঙ্গে ৯৪ রানের ওপেনিং জুটি মান্ধানার। ভারত অধিনায়ক ৩২ রানে ফিরলেও, এরপর শেফালি বর্মার সঙ্গে প্রতিকার জুটি ম্যাচ একেবারেই একপেশে করে দেয়। মাত্র ২৯ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন শেফালি। শেষপর্যন্ত ৩৩ বলে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন। রাওয়ালও শতরান করে অপরাজিত থাকেন। শেফালির ব্যাটে আসে জয়সূচক রান। চার মেরে ভারতের জয় নিশ্চিত করেন। ১৩৭ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে যায় স্মৃতিরা। ফুল টাইম অধিনায়ক হিসেবে মান্ধানার নেতৃত্বে ভারতের টানা চতুর্থ জয়। ২৫ অক্টোবর সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ।
