ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে থানা-পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দিবাগত রাতে উপজেলার সোহাগী বাজার এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসাদুজ্জামান আসাদ উপজেলার বগাপুতা গ্রামের প্রয়াত সাদে আব্বাছের ছেলে। তিনি সোহাগী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন উপজেলা যুবলীগের সক্রিয় সদস্য।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল সোহাগী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দাবি, আসাদুজ্জামান এলাকায় সরকারবিরোধী নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা এবং ঝটিকা মিছিল আয়োজনের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পাঁচতারা করছিলেন।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমন জানান, আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা রয়েছে। ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১২ সালে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে বরখাস্ত হয়েছিলেন সোহাগী ইউপির তৎকালীন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ। ওই বছরের ৮ এপ্রিল সোহাগী বাজারে তাঁর কার্যালয়ের পাশে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠলে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়। পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জনস্বার্থে তাঁকে পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।
জেএইচআর
