গাজীপুরের কালীগঞ্জে রাতের টহল চলাকালে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় বিএনপির স্থানীয় নেতা রফিকুল ইসলাম ও পুলিশের এসআই মিজানুর রহমান নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশের আরও দুই সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। এ ঘটনায় জড়িত কাভার্ডভ্যান চালকের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে কালীগঞ্জ সরকারি শ্রমিক কলেজের সামনে টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, টঙ্গী-ঘোড়াশাল আঞ্চলিক মহাসড়কে সামনে টহল ও ওয়ারেন্ট তামিলের দায়িত্বে ছিলেন এসআই মিজানুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল। একপর্যায়ে মহাসড়কের পাশে গাড়ি থামিয়ে কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করছিলেন তারা। এ সময় একটি কাভার্ডভ্যান তাদের ধাক্কা দেয়।
এতে এসআই মিজানুর রহমান, পুলিশের পিএসআই জাবেদ ওমর, ড্রাইভার কনস্টেবল ফজলে রাব্বি এবং স্থানীয় বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম গুরুতর আহত হন।
পুলিশের দাবি, কাভার্ডভ্যানের চালক এসআই মিজানুর রহমানকে গাড়ির সঙ্গে আটকে প্রায় আধা কিলোমিটার টেনে নিয়ে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে দ্রুত ঘোড়াশালের দিকে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয় এক রিকশাচালক ও এক পথচারী আহতদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মোস্তফা আল হোসাইন মিজানুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পিএসআই জাবেদ ওমর চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত ড্রাইভার কনস্টেবল ফজলে রাব্বিকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত বিএনপি নেতা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম মোল্লা কালীগঞ্জ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক।
ঘটনার পর কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ মুত্তাজুল ইসলাম, কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
