আজকাল ওয়েবডেস্ক: আগেই ইঙ্গিত মিলেছিল সরকারি তরফে। এবার সরাসরি রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তর এবং WBJEEB-র তরফে তথ্য প্রকাশ করা হল। জানানো হয়েছে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে উচ্চশিক্ষায় সার্বিকভাবে পড়ুয়া ভর্তি বেড়েছে। স্বচ্ছ কাউন্সেলিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের সার্বিক উন্নতি হয়েছে। একদিকে, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফার্মেসি কোর্স, অন্যদিকে, স্নাতক স্তরের অন্যান্য বিষয়ের কোর্সে পড়ুয়া ভর্তি বেড়েছে। কেন্দ্রীভূত এবং বিকেন্দ্রীভূত কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে ভর্তির এই পরিসংখ্যান রাজ্যের উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, সহজলভ্যতা ও মেধার গুরুত্বকয়েই চিহ্নিত করে বলে দাবি সরকারের।
রবিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর এক্স পোস্টে জানান, '২০২৬ সালে স্বচ্ছ কাউন্সেলিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ এক ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করেছে। এই খবর সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে পেরে আমি অত্যন্ত খুশি। গত বছরের তুলনায় ভর্তির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।'
একইসঙ্গে তিনি আরও পোস্টে উল্লেখ করেন, 'WBJEE-এর মাধ্যমে ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফার্মেসি কোর্সে পড়ুয়া ভর্তির সংখ্যা গত বছরের তুলনায় ৭৫.৪% বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছর ১৫,৭২৯ জনের পরিবর্তে ২০২৬ সালে বিভিন্ন কলেজে ২৭,৫৯৯ জন পড়ুয়া ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে ১৬,৪০৯ জন এবং বিকেন্দ্রীভূত কাউন্সেলিং প্রক্রিয়ায় ১১,১৯০ জন এ রাজ্যে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হয়েছে।”
পাশাপাশি, স্নাতকের অন্য বিষয়গুলিতেও অভিন্ন এবং বিকেন্দ্রীভূত কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে পড়ুয়া ভর্তির হার বেড়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর পোস্টে উল্লেখ, 'স্নাতক স্তরের ডিগ্রি কলেজগুলিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বড়সড় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। WBCAP এবং WBDAP-এর মাধ্যমে ২০২৬ সালে মোট ৩,৯২,২২৭ জন পড়ুয়া ভর্তি হয়েছে। গত বছর এই সংখ্যা ছিল ২,৬১,৬৯২। অর্থাৎ, এক বছরে পড়ুয়া ভর্তি বেড়েছে ১,৩০,৫৩৫। যা শতাংশের নিরিখে ৪৯.৯ শতাংশ। এর মধ্যে ২০২৬ সালে WBCAP-এর মাধ্যমে ৩,৭৮,৯৩১ জন এবং WBDAP-এর মাধ্যমে ১৩,২৯৬ জন পড়ুয়া স্নাতক স্তরে ভর্তি হয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে রাজ্যের ডিগ্রি কলেজগুলিতে ভর্তির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।" মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই পরিসংখ্যান রাজ্যের উচ্চশিক্ষায় ভর্তিতে পশ্চিমবঙ্গের সাফল্যেরই ইঙ্গিত বহন করছে।
