তবে ১৮ ও ১৯ অক্টোবর বেনাপোল কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে। এ দুই দিন পণ্য ওঠানো-নামানো, খালাস ও শুল্কায়ন কার্যক্রম চলবে। নির্ধারিত ছুটি শেষে ২৫ অক্টোবর সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে পুনরায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চালু হওয়ার কথা রয়েছে।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের ছুটির কারণে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রমে বিরতি থাকবে।
বন্দরসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়ে থাকে। বর্তমানে এ বন্দর দিয়ে দৈনিক প্রায় ৫০০ ট্রাক পণ্য পরিবহন করা হয়। এ ছাড়া চিকিৎসা, ব্যবসা ও অন্যান্য প্রয়োজনে প্রতিদিন প্রায় তিন হাজার পাসপোর্টধারী যাত্রী বেনাপোল-পেট্রাপোল পথে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এ বন্দর দিয়ে শিল্পকারখানার কাঁচামালসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যপণ্য আমদানি করা হয়। দীর্ঘ সময় বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলে বন্দরে পণ্যবাহী ট্রাকের জট তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি পণ্য সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে, যার প্রভাব স্থানীয় বাজারসহ বিভিন্ন খাতে পড়তে পারে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকলেও দুই দেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। নিয়ম অনুযায়ী যাত্রীরা চলাচল করতে পারবেন। তবে দুর্গাপূজা উপলক্ষে এ সময়ে যাত্রীদের চাপ বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, ছুটির সময়ে পণ্য খালাস ও শুল্কায়ন কার্যক্রম সচল রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানা গেছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২৫ অক্টোবর সকালে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় শুরু হলে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ফিরে আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
The post দুর্গাপূজায় বেনাপোল বন্দরে ৮ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ appeared first on ভোরের চেতনা.
