প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফ্লোরিডার এক সমাবেশে তেহরান কোনো সমঝোতায় না পৌঁছালে 'এপিক ফিউরি' (Epic Fury)-র মতো আরেকটি সামরিক অভিযান চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিলে ইরানে নতুন করে বড় ধরনের সামরিক হামলার পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ও প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন এবং ২৭ অক্টোবর ইসরায়েলের নির্বাচনের পর এই হামলার ছক কষা হচ্ছে। নির্বাচন শেষ হলে রাজনৈতিক চাপ কিছুটা কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মার্কিন দূত টম বারাকের বক্তব্যে উইকেন্ডে হামলার আশঙ্কার কথা উঠে এলেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে মন্তব্য করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত সামরিক সরঞ্জাম, নৌবহর ও সেনা মোতায়েন করেছে এবং ইসরায়েলি বাহিনী উচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।
সম্ভাব্য এই হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভাণ্ডার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। এছাড়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফ্লোরিডার এক সমাবেশে তেহরান কোনো সমঝোতায় না পৌঁছালে 'এপিক ফিউরি' (Epic Fury)-র মতো আরেকটি সামরিক অভিযান চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।
মার্কিন গোয়েন্দা প্রধান জে ক্লেটন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে পাঠানো একটি মেমোতে জানিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন স্থানে মার্কিন কর্মকর্তা ও কূটনীতিকদের ওপর ইরানি হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর জেরে মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে মার্কিন দূতাবাসের কর্মী সংখ্যা কমানো হয়েছে।
হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা ও উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। আইএমএফ (IMF) সতর্ক করেছে যে এই যুদ্ধ ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে।
