পুজো এসে গিয়েছে বটে, কিন্তু রোগবালাই বিদেয় হয়নি। বরং ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়ার প্রকোপে এখনও জ্বর, সর্দি-কাশি হচ্ছে। তা ছাড়া, মরসুমও বদলাচ্ছে। তার ফলেও ঠান্ডা-গরমে অনেকেই হাঁচছেন, কাশছেন, মাথাও ধরছে।
কথায় কথায় ওষুধ খাওয়া ভাল নয়। প্রাথমিক ভাবে তাই ঘরোয়া পথ্যই কাজে লাগাতে পারেন। স্বস্তি পেতে কী কী করবেন?
১। সর্দি বেশি হলে বা নাক বন্ধ হয়ে থাকলে রাতে শোয়ার আগে সর্ষের তেলে রসুনের কোয়া থেঁতো করে ফুটিয়ে নিন। আঁচ বন্ধ করে দিয়ে দিন কর্পূরের ছোট্ট টুকরো। প্রথমে সর্ষের তেলের ঝাঁঝ এবং কর্পূরের মিশেল নাক দিয়ে টানুন। তেল একটু ঠান্ডা হলে নাকে, কপালে লাগিয়ে নিন। বুকে-পিঠে, হাত এবং পায়ের চেটোয় ভাল করে মালিশ করে শুয়ে পড়ুন। মা-ঠাকুরমাদের এই টোটকা বেশ কাজের।
২। তুলসীপাতা এবং মধুর রসও সর্দি কাশিতে কাজের। তুলসীপাতার রস বার করে মধু দিয়ে গরম করে নিন। চামচের সাহায্যে খান। গলায় আরাম লাগবে। কাশিও কমবে।
৩। কাড়াও খুব উপকারী। দু’কাপ জলে গোলমরিচ, তুলসী, লবঙ্গ, আদা ভাল করে ফুটিয়ে নিন। দু’কাপ জল ফুটে এককাপ হওয়া পর্যন্ত আঁচ কমিয়ে ফোটাতে হব। মিশ্রণটি ছেঁকে চায়ের মতো পান করুন। ডায়াবিটিস না থাকলে মিশিয়ে নিন মধু।
৪। স্বস্তি মিলতে পারে গরম ভাপ নিলেও। বিশেষত মাথা ভার হয়ে থাকলে জল ফুটিয়ে সেই বাষ্প নাক-মুখ দিয়ে টানতে থাকুন। ভাপ গলার ভিতরে গেলে কষ্ট কমবে। বিশেষত নাক বন্ধ হয়ে থাকলে, মাথা হালকা লাগবে।
৫। দ্রুত সেরে ওঠার জন্য পুষ্টিকর খাবার খাওয়া দরকার। গরম গরম মুরগির স্ট্যু রাখুন খাবার তালিকায়। সবজি দিয়ে স্ট্যু বানিয়ে নিন। মাংসে রয়েছ প্রোটিন। অসুখ থেকে সেরে ওঠার জন্য যা জরুরি।
