মশাহিদ আহমদ : ‘বই হোক নিত্যসঙ্গী, পড়ি বই, গড়ি ভবিষ্যৎ’ এই শ্লেগানকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারে বই পড়া উৎসব উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন- জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. বেলাল উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রশাসকের সহধর্মিণী মাশকুরা জাহান দীনা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোসা. শাহীনা আক্তার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মামুনুর রশীদ, পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তানভীর হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আসমা সুলতানা নাসরীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) উম্মে সালিক রুমাইয়া, জেলা বিএনপির আহŸায়ক কমিটির সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম এবং মৌলভীবাজার পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার সাদাত হোসেন ভ‚ঁঞা প্রমুখ। ১২৮ শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে বই পড়া উৎসব : বই বিতরণ ও শিশুদের কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সুচনা হয়। উৎসবে ১২৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। শিশু-কিশোরদের মধ্যে বই পড়ার আগ্রহ সৃষ্টি, জ্ঞানচর্চার প্রসার এবং নিয়মিত পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বই পড়ার গুরুত্ব তুলে ধরে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ আয়োজনের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে বইমুখী করে জ্ঞানসমৃদ্ধ সমাজ গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়। এ ধরনের আয়োজন শিশু-কিশোরদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের জ্ঞান, মননশীলতা, সৃজনশীলতা ও মানবিক ম‚ল্যবোধ বিকাশে গুরুত্বপ‚র্ণ ভ‚মিকা রাখবে। প্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে নতুন প্রজন্মকে বইয়ের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত করা এবং মেধা ও মননের বিকাশে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। বই পড়া উৎসবের মতো উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের আলোয় আলোকিত হওয়ার পথ দেখাবে, চিন্তাশীল ও সৃজনশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে অনুপ্রাণিত করবে। নিয়মিত বই পড়ার চর্চা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে একটি শিক্ষিত, সচেতন ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণে এ আয়োজন ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
