ছবির ক্যাপশন: .
স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সব্যসাচী, ধীমান, দক্ষ, দূরদর্শী এবং বহুমাত্রিক মানবিক ব্যক্তিত্ব উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে অভিষিক্ত হয়েছেন।
পুরনো তিনটি মন্ত্রণালয়ের সাথে নতুন করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সুশাসন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও মানবিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এক পরিচিত ও সম্মানিত নাম। বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)-এর প্রধান নির্বাহী হিসেবে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাঁকে একজন দূরদর্শী প্রশাসক হিসেবে গড়ে তুলেছে। অন্তর্বর্তী সরকারে উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণের পর পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে তিনি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যকর কর্মপদ্ধতির সূচনা করেন।
পরিবেশ সুরক্ষাকে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক টেকসইতার মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করেন। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বন সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও পানি ব্যবস্থাপনায় তাঁর নেওয়া উদ্যোগ দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে। পলিথিন দূষণ রোধে তাঁর নেতৃত্বে কার্যত একটি জাতীয় সচেতনতা আন্দোলন গড়ে উঠেছে। দেশজ উপকরণে তৈরি পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদন ও বিপণনে নতুন শিল্পখাতের বিকাশও ঘটছে, যা পরিবেশ ও অর্থনীতি—উভয় ক্ষেত্রেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
সুশাসনের প্রশ্নে আপসহীন সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জোরালো ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো বাস্তবায়নকেন্দ্রিক ও ফলপ্রসূ প্রশাসনিক কাঠামোতে রূপ নিতে শুরু করেছে।
নতুন করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ায় দায়িত্বের পরিধি আরও বেড়েছে তাঁর। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, তাঁর মানবিক ও নীতিনিষ্ঠ নেতৃত্বে তথ্য ও সম্প্রচার খাতে দায়িত্বশীল যোগাযোগ, স্বচ্ছ তথ্যপ্রবাহ এবং জনস্বার্থভিত্তিক রাষ্ট্রীয় বার্তা ব্যবস্থাপনায় নতুন গতি সঞ্চার হবে।
