মোংলা বন্দর পরিদর্শনে গেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় খুলনার দাকোপ থেকে নৌপথে মোংলা যান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথমবার খুলনা সফরে গেলেন তারেক রহমান। তাকে বহনকারী বিমানবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দাকোপ উপজেলার সুতারখালী ইউনিয়নের নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠের অস্থায়ী হেলিপ্যাডে অবতরণ করে।
এরপর বেলা পৌনে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী নলিয়ান লঞ্চঘাট থেকে নৌপথে মোংলার উদ্দেশে যাত্রা করেন। এ সময় নলিয়ান বাজার মোড়ে অপেক্ষমাণ শত শত মানুষের সঙ্গে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা বিনিময় ও করমর্দন করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে সকাল থেকেই সেখানে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাণিজ্যমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমির এজাজ খান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন এবং জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
তবে নলিয়ানে পৌঁছানোর আগে হেলিকপ্টার থেকে হিরণ পয়েন্ট ও সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। নলিয়ান থেকে সেখানে নির্ধারিত সভায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বন্দরের জেটি ও প্রস্তাবিত বেজা অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের কথা রয়েছে তার।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল ও এলএনজি টার্মিনালের মেগা প্রকল্প নিয়ে নতুন স্বপ্ন বুনছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং অসম্পূর্ণ জেটি নির্মাণ ও ড্রেজিংসহ থমকে থাকা প্রকল্পগুলোর কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে শেষ হবে।
গুরুত্বপূর্ণ এই সফরে প্রধানমন্ত্রী মোংলা বন্দর জেটি, সুন্দরবনের আকরাম পয়েন্ট এলাকায় প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল ও প্রস্তাবিত নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করবেন। এসব মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এই এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফেরার পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বিপুলসংখ্যক মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
