আমাদের সবার মনেই কখনো না কখনো সুপ্ত ইচ্ছা জাগে, যদি হাতে পাওয়া যেত আলাদিনের সেই জাদুর চেরাগ! দৈনন্দিন জীবনের চেনা গণ্ডি পেরিয়ে মুহূর্তেই পৌঁছে যাওয়া যেত অচেনা কোনো জগতে, যেখানে অপেক্ষা করছে বিস্ময় আর রোমাঞ্চ। সেই কল্পনার জগতে প্রবেশের জন্য অবশ্য এবার জাদুর চেরাগের প্রয়োজন নেই; একটি জাদুর আংটিই যথেষ্ট। আর সেই আংটির সূত্র ধরেই দুই শিশুর হাত ধরে নার্নিয়ার রহস্যময় জগতে প্রবেশ করতে চলেছেন পরিচালক গ্রেটা গারউইগ। তার নতুন সিনেমা ‘নার্নিয়া: দ্য ম্যাজিশিয়ানস নেফিউ’-এর প্রথম ট্রেলারে মিলেছে সেই অভিযানের আভাস। সিএস লুইসের কালজয়ী উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ছবিটিতে ফিরছে আসলান ও হোয়াইট উইচের মতো পরিচিত চরিত্র, সঙ্গে থাকছে পৌরাণিক প্রাণী আর চোখধাঁধানো কল্পদৃশ্যের আয়োজন।
দর্শকদের প্রত্যাশা নিয়ে গারউইগ বলেন, ‘আমি চাই দর্শকরা হাসুক, কাঁদুক, আর মনে করুক যেন তারা নিজেরাও একটি রোমাঞ্চকর অভিযানে অংশ নিয়েছে।’
গারউইগের কাছে নার্নিয়া কেবল একটি চলচ্চিত্রের গল্প নয়; তার বেড়ে ওঠার সঙ্গেও জড়িয়ে আছে এ কল্পজগৎ। তার ভাষায়, ‘এমন কোনো সময়ের কথা আমার মনে পড়ে না যখন আমি এ বইগুলো সম্পর্কে জানতাম না। এ বইগুলো ছাড়া আমি “আজকের আমি” হয়ে উঠতে পারতাম না।’
এ ব্যক্তিগত অনুরাগ থেকেই নার্নিয়া সিরিজের সূচনা হিসেবে তিনি বেছে নেন ‘দ্য ম্যাজিশিয়ানস নেফিউ’। উপন্যাসটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হলেও কাহিনীর দিক থেকে এটি সিরিজের আগের ঘটনা তুলে ধরে। গল্পের দুই শিশু ডিগরি ও পলি আবিষ্কার করে ‘উড বিটুইন দ্য ওয়ার্ল্ডস’—যে রহস্যময় জগতের মধ্য দিয়ে তাদের সামনে উন্মোচিত হয় নার্নিয়ার দরজা।
সূত্র: ভ্যারাইটি
