‘মন কি বাত’-এর ১৩৯ তম পর্বে ভোকাল ফর লোকালের পক্ষে সওয়াল সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, “ভোকাল ফর লোকাল ভারতীয় পণ্যকে বিশ্বের বাজার খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে।” পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানের ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী জানালেন, “মন জি বাত আমার কাছে তীর্থযাত্রার চেয়ে কম নয়।” বিগত ১২ বছরে দেশের প্রত্যন্ত প্রান্তের সাধারণ মানুষের অসাধারণ গল্পই এই অনুষ্ঠানের প্রাণ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এদিনের অনুষ্ঠানে ভোকাল ফর লোকালের উপর বিশেষ জোর দেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তিনি বলেন, “বিহারের পূর্ণিয়ার মাখনা এখন গ্রিসে রপ্তানি হচ্ছে, কর্নাটকের কালবুর্গির অড়হর ডাল যাচ্ছে মালদ্বীপে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশে ভোকাল ফর লোকালের চেতনা আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং বিশ্ব বাজারে ভারতীয় পণ্য এক নতুন পরিচিতি পাচ্ছে। এই পদক্ষেপ দেশের কৃষকদের জন্য বিশ্ব বাজারের দরজা খুলে দিচ্ছে।” উৎসবের জেনাকাটায় স্থানীয় পণ্যকে অগ্রাধিকার দিতে দেশবাসীর কাছে আবেদন জানান তিনি। বলেন, এই পদক্ষেপ শিল্পীদের কঠোর পরিশ্রমকে উৎসাহিত করবে এবং আত্মনির্ভর ভারতের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সাহায্য করবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশে ভোকাল ফর লোকালের চেতনা আরও শক্তিশালী হচ্ছে এবং বিশ্ব বাজারে ভারতীয় পণ্য এক নতুন পরিচিতি পাচ্ছে। এই পদক্ষেপ দেশের কৃষকদের জন্য বিশ্ব বাজারের দরজা খুলে দিচ্ছে।”
মহারাষ্ট্রের আদিবাসী শিল্পীদের হস্তশিল্প এবং খাদির চাহিদা দেশে বাড়ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘শাবারি ন্যাচারালস’-এর মাধ্যমে মধু, মহুয়া, চিরঞ্জী এবং বাঁশ থেকে তৈরি পণ্য বাজারে আনা হচ্ছে। এই পণ্যগুলির মোড়কে আদিবাসী শিল্পের প্রতিফলন ঘটে এবং এটি জাপান থেকে মর্যাদাপূর্ণ ‘গুড ডিজাইন অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে। তিনি জানান, কর্ণাটকের একটি বাঁশ-ভিত্তিক স্টার্টআপ বাঁশ এবং কৃষি বর্জ্য থেকে মোড়ক সামগ্রী তৈরি করছে। এই ধরনের উদ্ভাবন কেবল স্থানীয় পণ্যকে আকর্ষণীয়ই করে না, বরং তাদের বাজার সম্প্রসারণেও সহায্য করে।
দেশে খাদির জনপ্রিয়তাও ব্যাপক বাড়ছে বলে এদিন জানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, চলতি বছর গান্ধী জয়ন্তীতে খাদি গ্রামীণ শিল্পের পণ্য একদিনেই ২৮ কোটি টাকার বেশি বিক্রি হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় দেড় কোটি টাকা বেশি। খাদির ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তার সুফল তাদের কাছেও পৌঁছচ্ছে, যাদের দক্ষতা ও কঠোর পরিশ্রমে খাদি, হস্তশিল্প এবং অন্যান্য পণ্য তৈরি হয়।
