চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ১৬ হাজার ৭৬৫ জনে। এ সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ২১২ জন। হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১০১ জনে। নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০৪ জনের।
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৯৯৭ জন। এ সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১৩ জনের এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৩৪ জন। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তি সিলেট বিভাগের। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ১৬ হাজার ৭৬৫ জনে। এ সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ২১২ জন। হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১০১ জনে। নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ১০৪ জনের।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তদের মধ্যে এক লাখ ৯২ হাজার ৬৯৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ৮৫ হাজার ১১০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় বিভাগভিত্তিক হিসাবে ঢাকায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪১২ জন, চট্টগ্রামে ১৯৩ জন, সিলেটে ১৩২ জন, বরিশালে ৯৭ জন, খুলনায় ৬৬ জন, ময়মনসিংহে ৫৯ জন, রাজশাহীতে ২২ জন এবং রংপুরে ১৬ জন শনাক্ত হয়েছেন।
চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে, ৯০ হাজার ৪৯৩ জন। চট্টগ্রাম বিভাগে শনাক্ত হয়েছেন ৪৩ হাজার ৪৭৩ জন, বরিশালে ২৩ হাজার ৪৭১ জন, সিলেটে ১৮ হাজার ৫৮৪ জন, খুলনায় ১৪ হাজার ৬০৭ জন, রাজশাহীতে ১১ হাজার ১৮১ জন, ময়মনসিংহে ১১ হাজার ২০ জন এবং রংপুরে তিন হাজার ৯৩৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, হামের উপসর্গ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দুই লাখ ১৬ হাজার ছাড়িয়েছে। একই সঙ্গে উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা এক হাজার ১০০ ছাড়িয়েছে।
