কালবেলা · সাধারণ
চাকসু জরিপে সক্রিয় জিএস, নিষ্ক্রিয় এজিএস
২৪/১০/২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) কার্যক্রমে সবচেয়ে কার্যকর হিসেবে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পেয়েছেন সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব। বিপরীতে, সবচেয়ে অকার্যকর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) আইয়ূবুর রহমান তৌফিক। আবাসন, যাতায়াত ও স্বাস্থ্যসেবাকে চাকসুর সবচেয়ে দুর্বল ক্ষেত্র হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্র মজলিসের সভাপতি ও চাকসু নির্বাচনে পরাজিত জিএস প্রার্থী সাকিব মাহমুদ রুমীর প্রকাশিত ‘আমার চোখে চাকসু’ শীর্ষক জরিপে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪টি বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের ৪০২ জন শিক্ষার্থী জরিপে অংশ নেন।
জরিপে চাকসুর নির্বাহী সদস্যদের মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর হিসেবে মূল্যায়িত হয়েছেন মো. সোহানুর রহমান। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে অকার্যকর হিসেবে উঠে এসেছে জান্নাতুল ফেরদাউস সানজিদার নাম। সম্পাদকদের মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়াবিষয়ক সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ। অন্যদিকে, সবচেয়ে অকার্যকর হিসেবে মূল্যায়িত হয়েছেন স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক আফনান হাসান ইমরান।
চাকসুর সামগ্রিক কার্যক্রম মূল্যায়নেও শিক্ষার্থীদের মতামতে ভিন্নতা দেখা গেছে। জরিপে ৯ দশমিক ৭ শতাংশ শিক্ষার্থী চাকসুকে ৭ নম্বর দিয়েছেন। ৮ দশমিক ৯ শতাংশ দিয়েছেন ৭ দশমিক ৫, ৮ দশমিক ২ শতাংশ দিয়েছেন ৬ এবং ৭ দশমিক ৯ শতাংশ দিয়েছেন ৬ দশমিক ৫ নম্বর। অন্যদিকে, ৭ দশমিক ২ শতাংশ শিক্ষার্থী দিয়েছেন মাত্র ০ দশমিক ৫ নম্বর।
জরিপ অনুযায়ী, চাকসুর সবচেয়ে দুর্বল ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে আবাসন ও যাতায়াত, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবেশ। বিপরীতে, ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে উঠে এসেছে লাইব্রেরি সংস্কার, অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু এবং ক্যান্টিনের খাবারের মানোন্নয়ন।
শিক্ষার্থীদের এই মূল্যায়নে চাকসুর কার্যক্রমে একদিকে কিছু উদ্যোগের ইতিবাচক প্রভাব, অন্যদিকে আবাসন, যাতায়াত ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক সমস্যাগুলো সমাধানে ঘাটতির চিত্র উঠে এসেছে।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗