সাভারে এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলার বাদীর বিরুদ্ধে নগদ ৪৭ লাখ টাকাসহ মোট ৭৭ লাখ টাকার মালামাল লুটের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মোশাররফ হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এরআগে সকালে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি আব্দুল বারীর বড় ছেলে মো.উমায়ের বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ১০-১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন আকরাইন এলাকায় তোহফাতুল জান্নাত মহিলা মাদরাসায় হামলা চালায়। এসময় নগদ ৪৭ লাখ টাকা, ২৩ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও ৭ লাখ টাকার আসবাবপত্র লুট করে।
মামলার বাদী মো.উমায়ের দাবি, আমার বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মামলা দেওয়া হয়েছে। মূলত জায়গা জমি দখল ও মাদরাসায় লুটপাটের দেশে হামলা চালায়।
সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) মোশাররফ হোসেন ঢাকা পোস্টকে জানান, আমরা ধর্ষণ মামলার বাদীর নাম বাদ দিয়ে মামলা করতে বলেছিলাম। তবে ভাঙচুর ও লুটপাট অভিযোগ এনে তারা বাদীর নামসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
উল্লেখ্য, বুধবার সন্ধ্যায় সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়ন আকরাইন এলাকায় তোহফাতুল জান্নাত মহিলা মাদরাসার এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ মাদরাসায় যান ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর স্বজন ও স্থানীয়রা। তবে অভিযুক্ত ওই মাদরাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল বারী কৌশলে পালিয়ে যায়। কিন্তু ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে তার স্ত্রীকে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয়রা।
লোটন আচার্য্য/এমটিআই
