সবার নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই আমার অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী
- প্রকাশিত : ২০২৬-১০-১৩
- ১৩ বার পঠিত
বিশেষ সংবাদদাতা:
ধর্মের ভিত্তিতে নয়, বরং দেশের সমান নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নিজ কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, “একজন নাগরিক হিসেবে আপনার যে অধিকার, আপনার যা প্রাপ্য—সরকারপ্রধান হিসেবে আমার কর্তব্য আমি সেটিই পালন করার চেষ্টা করছি। দেশটা সবাই মিলে স্বাধীন করেছি, তাই ধর্মীয় পরিচয় নয়, মানুষ হিসেবে সবাইকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য।”
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা-১৭ আসনের ৮টি পূজা মণ্ডপ ও মন্দিরের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পূজার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানাতে এলে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
ঐতিহাসিক ঐক্য, অবদান ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা
সব ধর্মের ঐতিহাসিক অংশগ্রহণ: প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, তাঁর পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমানের সময়ে মুক্তিযুদ্ধে যেভাবে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছেন—তেমনি ১৯৯০-এর গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪-এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানেও ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাই অংশ নিয়েছেন।
সমঅধিকারের বার্তা: “জাতির ক্রান্তিলগ্নে যখন আমরা ধর্মকে বিবেচনায় আনিনি, তবে অন্য কাজে কেন ধর্মকে টানা হবে?”—প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী। বিগত স্বৈরাচারী শাসনামলে বিএনপির মুসলিম কর্মীদের পাশাপাশি হিন্দু কর্মীরাও সমভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আল্লাহ আমাকে সুযোগ দিয়েছেন, তাই নিজ ক্ষমতা ও দায়িত্বের জায়গা থেকে প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সন্তোষ ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন
ছুটি ও অনুদান বৃদ্ধি: বিএনপি সরকার গঠন করার পর দুর্গাপূজায় ছুটি এবং অনুদান বৃদ্ধি করায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান হিন্দু ধর্মীয় প্রতিনিধিগণ।
শান্তিপূর্ণ পরিবেশ: নেতৃবৃন্দ সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে তাঁরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন এবং বিএনপিকে ভোট দিয়ে তারা যে কোনো ভুল করেননি—বর্তমান সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপে তা প্রমাণিত হচ্ছে।
উপস্থিত নেতৃবৃন্দ: মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রমেশ দত্ত, গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলক সাহা, বারিধারা ডিওএইচএস পূজা কমিটির সভাপতি জীবন কানাই দাসসহ বিভিন্ন মন্দিরের প্রতিনিধিগণ। এছাড়া ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সানি ও বনানী সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ সফিকুজ্জামান রতন উপস্থিত ছিলেন।
এ জাতীয় আরো খবর..
ক্যালেন্ডার...
❮
❯
Sun
Mon
Tue
Wed
Thu
Fri
Sat

