টেকনাফে সমুদ্র সৈকত থেকে পাচার হচ্ছে শামুক-ঝিনুক

প্রভাত সংবাদদাতা, টেকনাফ: কক্সবাজারের টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন সমুদ্র সৈকত এলাকা থেকে দীর্ঘদিন ধরে পাচার করা হচ্ছে টন টন শামুক-ঝিনুক। যা জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকা থেকে এসব ঝিনুক-শামুক পাচার করা হচ্ছে।স্থানীয়রা জানান, সৈকত থেকে প্রতিদিন টন টন শামুক-ঝিনুক পাচার হচ্ছে। প্রথমে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে স্তূপ করে রাখা হয় এসব শামুক-ঝিনুক, পরে পিকআপ ও ট্রাকে করে পাচার করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।সূত্র জানায়, একদল প্রভাবশালী ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে এসব পাচার কাজ চালিয়ে আসছে। এতে মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে সৈকতের জীববৈচিত্র্য, কচ্ছপের প্রজনন ক্ষেত্র এবং মেরিন ড্রাইভের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।স্থানীয় পরিবেশকর্মী মো. ইদ্রিস আলী খান বলেন, মেরিন ড্রাইভসহ সমুদ্রসৈকত এলাকায় প্রতিদিন দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা বেড়াতে আসেন। সৈকতে ঘুরতে এসে পর্যটকদের কাছে ঝিনুক-শামুক বিশেষভাবে আকর্ষণীয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সৈকত এলাকা থেকে টনকে টন ঝিনুক-শামুক পাচার করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, শামুক-ঝিনুক সৈকতের প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে কাজ করে এবং উপকূল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এভাবে নির্বিচারে শামুক-ঝিনুক পাচার অব্যাহত থাকলে অচিরেই সৈকত ভাঙন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে।কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সৈকত থেকে ঝিনুক-শামুক পাচারের বিষয়টি তাদের নজরে আসেনি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সেখানে লোক পাঠানো হচ্ছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
More News Of This Category

