সিলেট ভয়েস ডেস্ক · ২১ অক্টোবর, ২০২৬ ৪:৪৬ অপরাহ্ন
নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম থেকে সিলেটের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস। ট্রেন ছাড়তে বিলম্ব হওয়ায় বুধবার সকালে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে বিক্ষোভ করেছেন ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। ইঞ্জিন-সংকটের কারণে ট্রেনটির যাত্রা বিলম্বিত হয়েছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (২১ অক্টোবর) সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে ট্রেনটি সিলেটের উদ্দেশে যাত্রা করে। এতে দীর্ঘ সময় স্টেশনে অপেক্ষা করতে হয় সিলেটগামী যাত্রীদের।
যাত্রীদের অভিযোগ, পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন খুলে অন্য একটি ট্রেনে যুক্ত করা হয়েছিল। এ কারণে নির্ধারিত সময়ে ট্রেনটি ছাড়তে পারেনি। দীর্ঘ অপেক্ষায় ক্ষুব্ধ হয়ে একপর্যায়ে ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী স্টেশনমাস্টারের কক্ষের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। প্ল্যাটফর্মেও যাত্রীদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, যাত্রীরা স্লোগান দিতে দিতে প্ল্যাটফর্ম থেকে স্টেশন ব্যবস্থাপকের কক্ষের দিকে যাচ্ছেন। সেখানে স্টেশন ব্যবস্থাপককে না পেয়ে বিক্ষোভ করেন তারা। এ সময় ‘রেলের যাত্রী ভোগান্তি, চলবে না চলবে না’ বলে স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, ইঞ্জিন-সংকটের কারণে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের চলাচলে প্রায়ই বিলম্ব হচ্ছে। সিলেট থেকে চট্টগ্রামে আসা ট্রেনের ইঞ্জিন প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ ও অন্যান্য কাজ শেষে আবার সিলেটগামী ট্রেনে যুক্ত করতে হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিলম্ব হলে পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের যাত্রাও পিছিয়ে যায়।
চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের মাস্টার আবু জাফর মজুমদার জানান, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনের চট্টগ্রামে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ছিল ভোর ৫টা ৩৫ মিনিট। তবে ট্রেনটি প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে স্টেশনে পৌঁছায়। ফলে ওই ট্রেনের ইঞ্জিন প্রস্তুত করে পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ছাড়তেও বিলম্ব হয়।
ইঞ্জিন-সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে বলেও জানান স্টেশনমাস্টার।
গুগলে আমাদের খবর পেতে
