Published on
:
1 min read
সপ্তমীর রাতে চোরবাগানে পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর স্মৃতি এখনও টাটকা। ঘটনায় SIT গঠন করে চলছে তদন্ত। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। চোরবাগানের ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা এবং পরিবারের একজন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সপ্তমীতে চোরবাগানে মৃতদের তালিকায় রয়েছেন হাওড়ার সালকিয়ার বিকাশ ভট্টাচার্যও। সূত্রের খবর, শনিবার সন্ধ্যায় চোরবাগানের ঘটনায় মৃত সালকিয়ায় বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী।
তবে, শনিবার সালকিয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর যাওয়ার সময়ে দেখা গেল এক অন্যরকম দৃশ্য। একের পর এক নিরাপত্তারক্ষীদের গাড়ির বিশাল কনভয়ের ছবিটা উধাও। তার বদলে মোটরবাইকে চড়ে সালকিয়ায় বিকাশের বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন পুর ও নগরোন্নয়নের দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই-সহ জেলা প্রশাসনের পদস্থ কর্তারা। জানা গিয়েছে, উমেশ রাইয়ের বাইকের পেছনের সিটে বসেই বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে যান শুভেন্দু অধিকারী।
এ দিন, মৃতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। এর পরে ওই বাড়ি থেকে বেরোনোর সময়ে রাস্তায় এক খুদের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। বাইক থামিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। খুদের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করেন, ‘পুজোতে ক’টা জামা হয়েছে? ক’টা ঠাকুর দেখলি?’ আচমকা মুখ্যমন্ত্রীকে সামনাসামনি দেখে হকচকিয়ে যায় খুদেও। পরে হাসিমুখে উত্তরও দেয়। খুদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কথোপকথনে হাসি ফুটে ওঠে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দাদের মুখেও।
তবে, শুধুই সালকিয়ায় নয়। শনিবার সন্ধ্যায় চোরবাগানের বিপর্যয়ে মৃত স্নেহা ভাণ্ডারীর দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাকরাহাটের বাড়িতেও যান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিহারের একই পরিবারের দুই বাসিন্দাও এই বিপর্যয়ে মারা গিয়েছেন। ভার্চুয়ালি তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই বিহারে গিয়ে মৃতদের পরিবারের হাতে চেক তুলে দেবেন বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
