কক্সবাজার সৈকতে ভেসে এল আরও এক মরদেহ
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->কক্সবাজার শহরের কলাতলী ভাঙ্গার মোড় এলাকার সৈকতে একটি মরদেহ ভেসে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে মরদহটি বুধবার হিমছড়ি সৈকতে নিখোঁজ হওয়া পর্যটক এসএম নাফিসুর রহমান নিবিড়ের।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহরের কলাতলী ভাঙার মোড় সৈকতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন সৈকতে জেলা প্রশাসন ও বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির নিয়োজিত বিচ কর্মীদের সুপারভাইজার মাহবুব আলম।
তিনি জানান, মরদেহটি গতকাল সাগরে স্রোতে ভেসে যাওয়া পর্যটক নাফিসুর রহমান নিবিড়ের হতে পারে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। মরদেহটি উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
তারেকুর রহমান/নাঈম
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
যমুনার চরে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের শরতের আড্ডা
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৫ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->যতদূর চোখ যায় শুধু সাদা কাশফুল, মাঝে মাঝে একটা সরু খালের মতো জল। বিকেলের নরম রোদে কাশফুলগুলো যেন সোনা হয়ে যায়। এখানকার উন্মুক্ত পরিবেশের ছোট দোকানগুলোর লাল চা আর পাঁচ টাকার বিস্কুটের স্বাদ শহরের কোনো ক্যাফেতেই পাওয়া যায় না। টিনের একটি ছাপড়া, ভিতরে দুটো বেঞ্চ। কেটলি কালো হয়ে গেছে, চিনির কৌটা খোলা। দোকানি চাচা তাড়াহুড়ো করেন না, আস্তে আস্তে চা ঢালেন। বিস্কুটটা শক্ত, কিন্তু বালুর ওপর বসে, যমুনার হাওয়া খেতে খেতে এটাই মনে হয় অমৃত।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এমনই এক মায়াবী পরিবেশে টাঙ্গাইলের পৌলী এলাকায় যমুনার চরে ‘শরতের আড্ডা’র আয়োজন করে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার।
বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের সদস্যরা বই পড়ার পাশাপাশি অংশ নেন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে, তারই অংশ হিসেবে এই আয়োজন। দিনব্যাপী এ আড্ডায় ছিল গান, কবিতা আবৃত্তি ও সাহিত্য আড্ডার পাশাপাশি নৌকা ভ্রমণ, মাছ ধরা, কাশবনে ঘুরে বেড়ানো। এভাবেই সারা দিন আনন্দমুখর সময় কাটান সদস্যরা।
আরও পড়ুন
বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা কামরুজ্জামান জানান, আবহমান বাংলার ঋতুবৈচিত্র্য, প্রকৃতির সৌন্দর্য এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধারণ করে পারস্পরিক ভাববিনিময় এবং আনন্দমুখর সহমর্মিতার পরিবেশ নির্মাণই এ আড্ডার উদ্দেশ্য।
প্রসঙ্গত, “এসো বই পড়ি নিজেকে আলোকিত করি” স্লোগানকে ধারণ করে ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০১০ সালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের চৌরাকররা গ্রামে গড়ে ওঠে ‘বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার’।
আরও পড়ুন
জুয়েল/নাঈম
আরও পড়ুন
শেরপুরে ড্রামের ভেতরে পাওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩২ পিএম
আপডেট: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->শেরপুরের শ্রীবরদীতে প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে উদ্ধার করা অজ্ঞাত নারীর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নিহত নারী নাম ঝিনুক আক্তার (২৮)। তিনি গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানার এরশাদ নগর এলাকার শাকিল-বেবী দম্পতির মেয়ে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার কুড়িকাহনিয়া বাজার এলাকার কুটেমনি ব্রিজের নিচে পানিতে ভাসমান অবস্থায় থাকা নীল রঙের একটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে একটি প্লাস্টিকের ড্রাম খালের পানিতে ভাসতে দেখে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। পরে তারা গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে শ্রীবরদী থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রামটি খুললে গলায় কাপড় প্যাঁচানো অবস্থায় এক নারীর মরদেহ দেখতে পান।
আরও পড়ুন
মরদেহের কপাল ও মুখে ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল বলেও জানা যায়। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্তে কাজ শুরু করে পিবিআই। বায়োমেট্রিক ডিভাইসের সহায়তায় পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালানোর পর তার পরিচয় পাওয়া যায়। তবে তার দেওয়া ঠিকানায় স্বজনদের কাউকে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, কে বা কারা তাকে হত্যা করে রাতের আধারে ড্রামে ভর্তি করে এখানে ফেলে যেতে পারে।
শেরপুর ও জামালপুর জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার (এসপি) পংকজ দত্ত বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। মরদেহের পরিচয়সংক্রান্ত একটি ঠিকানা পাওয়া গেছে। তবে, ওই ঠিকানায় গিয়ে সংশ্লিষ্ট কাউকে পাওয়া যায়নি। তবে আশা করি দ্রুতই নিহত নারীর স্বজনদের পরিচয় ও সন্ধান পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুন
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. মিজানুর রহমান ভুঁইয়া জানান, মরদেহটির ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে।
শাকিল/নাঈম
আরও পড়ুন
দৌলতপুরে প্রায় ২০ লাখ টাকার কারেন্ট জাল পুড়িয়ে ধ্বংস
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০১ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে যমুনা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৬৫ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও প্রায় ১ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। জব্দ করা জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অভিযান শেষে জব্দ করা জাল জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬-এর অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন দৌলতপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার তন্নী। জব্দ করা ইলিশ মাছ একজন অসহায় ব্যক্তিকে দিয়ে দেওয়া হয়।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার তন্নী বলেন, মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে অবৈধভাবে মাছ ধরা বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আরও পড়ুন
এ সময় সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানসহ মৎস্য দপ্তরের অন্যান্য সদস্য ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।
আসাদ জামান/নাঈম
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
ঋণ না পেয়ে ব্যাংক লুটের চেষ্টা, যুবক গ্রেপ্তার
প্রকাশ: ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩১ পিএম
গ্রেপ্তার কাওসার আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
-->ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ঋণ না পেয়ে কৃষি ব্যাংকের একটি শাখা থেকে টাকা লুটের চেষ্টার অভিযোগে কাওসার আহমেদ (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে ব্যাংকটির কর্মকর্তা নাজমুল হক মামলা করেছেন। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার সোহাগী বাজারে কৃষি ব্যাংকের শাখায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার কাওসার উপজেলার সোহাগী ইউনিয়নের বৃ-কাঁঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি।
আরও পড়ুন
মামলার নথি ও ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে ব্যাংকের প্রধান ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন কাওসার। তখন ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মী মাজহারুল ইসলাম সাগর ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুম থেকে ওঠার পর তার কাছে ব্যাংকের টাকা কোথায় রাখা হয়েছে, তা জানতে চান কাওসার। একপর্যায়ে ছুরি দিয়ে আঘাত করার ভয় দেখিয়ে তাঁকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলেন। এরপর ভল্টের তালা ভাঙার চেষ্টা শুরু করেন। হাত-পায়ের বাঁধন কিছুটা ঢিলেঢালা থাকায় নিরাপত্তাকর্মী দড়ি খুলে নিজেকে মুক্ত করেন।পরে নিচে নেমে চিৎকার শুরু করলে বাজারের পাহারাদার, টহল পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত সেখানে ছুটে আসেন। তাদের সহযোগিতায় কাওসারকে আটক করা হয়।
ব্যাংকের নিরাপত্তাকর্মী মাজহারুল ইসলাম সাগর বলেন, ‘একটু ঢিলেঢালাভাবে বাঁধা হয়েছিল। তাই খুলতে পেরেছি। বাঁধন খুলে তাৎক্ষণিক নিচে নেমে চিৎকার করে লোকজন জড়ো করে কাওসারকে আটকানো হয়।’
আরও পড়ুন
ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক ইকবাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় ব্যাংকের কোনো টাকা খোয়া যায়নি। ভল্টেরও কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে ওই যুবক আগে কখনও ঋণের জন্য ব্যাংকে এসেছিলেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কাওসার তাদের শাখায় ঋণ নিতে আসেননি।
ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ রোমন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কাওসার জানিয়েছে, প্রায় দুই লাখ টাকা ঋণ ছিল তার। কয়েক মাস আগে বিয়ের সময় এ ঋণ করেছিলেন। দুই লাখ টাকা ঋণ পেতে ঈশ্বরগঞ্জে কৃষি ব্যাংকের একটি শাখায় গিয়েছিলেন কাওসার। কিন্তু ঋণ না পেয়ে তিনি ‘ব্যাংক লুটের’ পরিকল্পনা করেন। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
কামরুজ্জামান মিন্টু/এএফ
