নিয়ন্ত্রণরেখার কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেছিল জঙ্গিদের একটা দল। জম্মু-কাশ্মীরের কৃষ্ণা ঘাটী সেক্টরের নঙ্গী টকরীর কাছে মাইন বিস্ফোরণে নিহত হলেন লস্কর-এ-ত্যায়বার শীর্ষনেতা মহম্মদ ফয়জান। শুধু তিনি একা নন, এই বিস্ফোরণে আরও তিন জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।
অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর নজদারি বাড়িয়েছে ভারতীয় সেনা। শুধু টহলদারি নয়, নিরাপত্তার স্বার্থে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর মাইনও পুঁতে রাখে তারা। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, জঙ্গিদের ওই দলটি কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করার সময় তেমনই এক মাইনে পা দিয়ে ফেলে। আর তাতেই বিস্ফোরণ। ফয়জান ছাড়াও ওই দলে ছিলেন লস্করের আরও তিন সদস্য। তাঁরা হলেন ওয়াকাস, ইসতিয়াক এবং আসিম।
বিস্ফোরণের পর নিরাপত্তা বাহিনী কৃষ্ণা ঘাটী সেক্টর পুরো ঘিরে ফেলেছে। নিহত চার জন ছাড়া ওই দলে আর কেউ ছিলেন কি না, তার খোঁজ শুরু হয়েছে। কোনও অনুপ্রবেশকারী ওই এলাকায় ঢুকে কোনও আস্তানায় লুকিয়ে রয়েছেন কি না, তা-ও নজরে রেখেছে নিরাপত্তা বাহিনী।
অন্য দিকে, জম্মু-কাশ্মীরের মেন্ধার সেক্টরের বাসোনি এলাকায় কাঁটাতারের কাছে দু’টি ল্যান্ডমাইনের খোঁজ পায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ল্যান্ডমাইন দু’টি নিষ্ক্রিয় করে সেনা। গত সপ্তাহে ওই এলাকায় অনুরূপ প্রায় এক ডজন ল্যান্ডমাইনের শনাক্ত করে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
উল্লেখ্য, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে এলওসি-র কাছে মাইন পাতে সেনাবাহিনী। তবে বৃষ্টির কারণে অনেক সময়েই ওই সব মাইন মাটি থেকে উঠে ভেসে যায়। অনেক সময় জনবহুল এলাকায় গিয়ে পড়ে মাইনগুলি। অসাবধানতাবশত ওই মাইনে পা দিলে বা ফেটে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যায়। সেই কারণে ওই মাইনগুলি ঠিকঠাক জায়গায় রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখতে হয় সেনাবাহিনীকে।
