মোহনবাগান: ২ (আরউইন, মিগুয়েল)
দিল্লি এসসি: ১ (নামতে)
প্রথম ম্যাচে হার। দেবীপক্ষে দিল্লির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচেও কি হতাশা মোহনবাগানের জন্য? প্রথমার্ধের ছবিটা ছিল সেরকম। আর দ্বিতীয়ার্ধে ১০ মিনিটের মধ্যে ম্যাজিক দেখালেন মিগুয়েল ফিগুয়েরা। গোল করলেন, গোলের বল সাজিয়ে দিলেন। দিল্লিবধ করে সবুজ-মেরুন সমর্থকদের মুখে দেবীপক্ষের আলো ছড়িয়ে দিলেন তাঁদের প্রিয় ‘টুবলু’। অনেক ভুলভ্রান্তি সত্ত্বেও কিছুটা স্বস্তি দিলেন কোচ প্যানোসকে। দিল্লিতে গিয়ে মোহনবাগান জিতল ২-১ গোলে। মিগুয়েল ছাড়াও আরেকটি গোল লি আরউইনের।
তবে ম্যাচের শুরুর অবস্থা সম্পূর্ণ অন্যরকম ছিল। ঘরের মাঠে দিল্লি এফসি’র তরুণ ব্রিগেড দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে নাভিশ্বাস তুলছিল সবুজ-মেরুন রক্ষণের। গতিতে পরাস্ত করে মহম্মদ আইমেন বক্সের মধ্যে বারবার ঢুকে পড়ছিলেন। কখনও বা রক্ষণের ফাঁক দিয়ে ঢুকে পড়ছিলেন নামতেরা। ২৩ মিনিটে ঠিক তাই হল। স্ট্রাইকার রড্রিগুইনহোকে আটকাতে ব্যস্ত মোহনবাগান রক্ষণ নামতের দৌড় খেয়াল করেনি। মনোজ মহম্মদের ভাসানো বল পেয়ে গতিতে টপকে গেলেন আলবার্তোকে। তারপর বিশালকে কাটিয়ে জালে বল।
বারবার একই চালে বিভ্রান্ত হয়ে আলবার্তো তো কনুই চালিয়ে দিলেন নামতের বুকে। ঠিক দু’মিনিট আরেকটা দূরপাল্লার শট বিশাল বাঁচালেন। মিগুয়েল, ডেজন ড্রাজিচকে তখন খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না। মিগুয়েলের ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন ছিলই। তার উপর প্রথম একাদশে কেন সাহাল বা মনবীররা নেই? তবে প্রথমার্ধের শেষে ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নেয় মোহনবাগান। ড্রাজিচ ও ছাংতে নেমে এসে ডিফেন্সে ৪-৪-২ ছক বানালেন। তাতে দূরত্ব কমল আপুইয়া ও থাপার মধ্যে। লি আরউইনের শটগুলো আরেকটু শক্তিশালী হলে প্রথমার্ধেই গোলের দেখা পেয়ে যেত মোহনবাগান।
সেটা হল দ্বিতীয়ার্ধে। ৫২ মিনিটে একবার আইমেনকে আটকে ‘বিশাল রক্ষা’ পেল মোহনবাগান। ওইটুকুই খামতি। ৫৫ মিনিটে দেখা গেল মিগুয়েলের সাম্বা ঝলক। বাঁদিকের উইংয়ে তখন তাঁকে ঘিরে প্রায় তিনজন। বডি শিল্ড করে একটা ছোট্ট টার্ন। তারপর যে পাসটা দিলেন, তাতে দিল্লির রক্ষণ অর্ধেক হয়ে গেল। সেখান থেকে থাপা মাইনাস করলেন আরউইনকে। কার্যত ফাঁকা গোলে বল ঢেলে সমতা ফেরালেন স্কটিশ স্ট্রাইকার। ৫৯ মিনিটে মোহনবাগান জার্সিতে বহুপ্রতীক্ষিত গোলটি পেলেন মিগুয়েল। এবার কারিগর আপুইয়া। দিল্লি রক্ষণকে চমকে দিয়ে অনায়াসে বল নিয়ে ঢুকে পড়লেন বক্সের মাথায়। তাঁর পাস ধরে গোল করলেন মিগুয়েল। তারপর যেভাবে সতীর্থ ও ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিলেন, তাতে বোঝাই গেল যথেষ্ট চাপের মধ্যেই ছিলেন।
Apuia danced through the Phoenixes defence to set up Miguel, who doubled the Mariners lead. Watch #SCDMBSG live on YouTube and #SonyLIV: https://t.co/NawPC3Wmd3
#WeAreOpen #MGISL13 https://t.co/jENomxyoYG
— MG Indian Super League (@IndSuperLeague) October 16, 2026
অবশ্য কিছুক্ষণ পর চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন। সেটা কতটা দুশ্চিন্তার তা এখনই বলা সম্ভব নয়। যেটা বলা সম্ভব, সেটা হল মোহনবাগান আরও বড় ব্যবধানে জিততে পারত। সমির জেলকোভিচ ও লিস্টন কোলাসো ফাঁকা গোল মিস করলেন। মনবীরের শট বারে লেগে ফিরল। তবে আইএসএলে প্রথম জয় পেলেও প্যানোস স্যর পুরোপুরি চিন্তামুক্ত হতে পারবেন না। দলের গতি ও ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন থাকবেই। আর এতদিন প্রিসিজন ও তিন নম্বর টুর্নামেন্টে এসেও কেন দলের মধ্যে বোঝাবুঝির অভাব, সেটা নিয়ে ঘামাতে হবে মোহনবাগানকে।
Aimen came close to doubling the Phoenixes lead, but it was Lee Erwin who brought the Mariners back into the game.
Watch #SCDMBSG live on YouTube and #SonyLIV : https://t.co/NawPC3Wmd3
#WeAreOpen #MGISL https://t.co/YYLvgRZlmz
— MG Indian Super League (@IndSuperLeague) October 16, 2026

#WeAreOpen #MGISL13 https://t.co/jENomxyoYG
Watch #SCDMBSG live on YouTube and #SonyLIV : https://t.co/NawPC3Wmd3