Published on
:
1 min read
এই সময়, ময়নাগুড়ি: পুজো পরিক্রমায় বেরিয়ে একটি বারের জন্য সত্তরের দশকের গ্রাম বাংলায় ঘুরে আসতে পারেন। ময়নাগুড়ির রক্ষিত পরিবার তেমনই ব্যবস্থা করেছে। তবে টাইম মেশিনে নয়, সত্তরের দশকের গ্রাম বাংলার প্রতিচ্ছবি ফুটিয়ে তুলতে তৈরি করা হয়েছে মাটির ঘর, পুকুর, গোয়ালঘর, গবাদিপশু, ধানখেত, রকমারি গাছ।
প্রায় নব্বই বছর আগে পূর্ববঙ্গে (অধুনা বাংলাদেশ) পূর্বপুরুষদের হাত ধরে এই পুজোর সূচনা হয়েছিল। তাঁদের পরিবারের কিছু সদস্য জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে চলে আসেন। বাংলাদেশে প্রত্যেক বছর রক্ষিত বাড়িতে পুজো হয়ে আসছে। তবে এ বার প্রথম হাসপাতাল পাড়ায় রক্ষিত বাড়িতে পূজিত হবেন জগজ্জননী। এই পরিবারের সদস্যদের মতে, শহরের আলো ঝলমলে বারোয়ারি পুজোগুলিকে রীতিমতো টেক্কা দেবে তাঁদের পুজো। বাড়ির পুজো হলেও রক্ষিতদের পুজোর মূল আকর্ষণ থিম। সত্তরের দশকের গ্রাম বাংলার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে মণ্ডপজুড়ে। এই পরিবারের সদস্য এবং পুজোর মূল উদ্যোক্তা চন্দন রক্ষিত বলেন, ‘বাংলাদেশে পূর্বপুরুষদের হাত ধরে যে দুর্গাপুজো শুরু হয়েছিল, তা এখনও হয়ে চলেছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে আমরা বাংলাদেশে যেতে পারিনি। তাই এ বার থেকে এখানেই পুজো শুরু করলাম।’ তিনি জানান, সম্পূর্ণ সাবেকিয়ানা বজায় রেখেই পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। পুজোর চার দিন সবার জন্য বিশেষ ভোগের ব্যবস্থা থাকছে। পাশাপাশি শতাধিক দুঃস্থ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হবে বস্ত্র।
চন্দনের স্ত্রী রোমা রক্ষিত বলেন, ‘এই প্রথমবার আমরা পুজো আয়োজন করেছি। পরিবারের পাশাপাশি প্রতিবেশীরাও আনন্দ–উৎসবে সামিল হবেন।’ এই বাড়ির প্রতিমা গড়েছেন হাসপাতাল পাড়ার শিল্পী নির্মল পাল। স্থানীয় কাউন্সিলার প্রদ্যোৎ বিশ্বাস বলেন, ‘বাড়ির পুজোয় গ্রাম বাংলার জীবনের প্রতিচ্ছবি, বেড়াতে আসা মানুষজনের কাছে আকর্ষণীয় হবে।’
