শেষ কবে চার্চিল ব্রাদার্সের মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল? বছর ছয়েক তো হবেই। তখন দুই দলই আই লিগে। তারপর ভারতীয় ফুটবলের গতিপ্রকৃতি অনেকটাই বদলে গিয়েছে। এবার আইএসএলে মুখোমুখি দুই দল। একসময় লাল-হলুদের কাছে শক্ত গাঁট ছিল গোয়ার ক্লাব। আর এবার ইস্টবেঙ্গল যখন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে আইএসএলে নামছে, তখন পরিস্থিতি খুব একটা অনুকূল নয়। তবে আল শোর্তা ম্যাচের ভুলত্রুটি শুধরে কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস আশাবাদী। গোয়ার মাঠে জয় দিয়ে অভিযান শুরু করতে চান ডিফেন্ডার আনোয়ার আলিও।
ডুরান্ডজয়ের পর যে মোমেন্টাম পেয়েছিল, তা যেন আচমকা ধাক্কা খেয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। শিল্ড ফাইনালে মোহনবাগানের কাছে হার। তারপর এসিএল ২-এ আল শোর্তার কাছে জেতা ম্যাচ হাতছাড়া হয়েছে। রক্ষণ থেকে আক্রমণ, অনেক ফাঁকফোকর ধরা পড়ছে। ফর্মের দেখা পাননি অধিকাংশ বিদেশি। চার্চিলের বিরুদ্ধে জিতে আইএসএল শুরু করলে পুজোর মধ্যে সমর্থকদের মুখে হাসি ফুটবে। পাশাপাশি অনেক সমালোচনার জবাব দেওয়া যাবে।
ম্যাচের আগে হাবাস তুলে আনলেন আল শোর্তা ম্যাচের কথা। তিনি বললেন, “আল শোর্তা দলের আট ফুটবলার ইরাক জাতীয় দলের হয়ে খেলেন। ইরাক ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ৫৮ তম স্থানে আছে, সেখানে ভারত ১৩৮-এ। আমরা ৫ মিনিটের স্পেলে নিজেদের ভুলে গোল হজম করেছি, নাহলে ফলাফল আমাদের পক্ষেও ৫-৩ হতে পারত।” রক্ষণের ভুলভ্রান্তি নিয়েও কথা বললেন হাবাস। ইস্টবেঙ্গল কোচ দিয়েগো জিভুলিচকে আরও সময় দেওয়ার পক্ষপাতী।
একই মত সতীর্থ আনোয়ারের। তিনি বলেন, “আমি জানি আমার ও জিভুলিচের মধ্যে কিছু ভুলভ্রান্তি হচ্ছে। ও ভারতীয় পরিবেশে নতুন, ওকে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় দিতে হব। ও দ্রুত নিজের সেরা ছন্দে আসবে। আমরা অনুশীলনে নিজেদের সেরাটা দিচ্ছি। আশা করছি, খুব তাড়াতাড়ি আমরা ম্যাচেও সেরা পারফরম্যান্স করতে পারব।” সমর্থকরাও সেটাই চাইছেন। আগের ম্যাচেই মুম্বইকে হারিয়ে চমকে দিয়েছে চার্চিল। অবশ্য হাবাসের একটা সুবিধা তিনি আই লিগের সময় থেকে চার্চিলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে চেনেন।
