কুমিল্লার ঐতিহ্যের ধারক আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়ন। এবার এই ইউনিয়নকে সুশাসন, শিক্ষা, সাম্য ও আধুনিকতায় রূপান্তর করার বিশাল স্বপ্নের কথা প্রকাশ করলেন এলাকার কৃতী সন্তান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সফল সমাজসেবক এবং ‘আব্দুস সামাদ ফাউন্ডেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা আব্দুস সামাদ।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে জগন্নাথপুর ইউনিয়নের প্রতিটি মণ্ডপ ঘুরে সনাতন ধর্মাবলম্বী শুভানুধ্যায়ীদের সাথে শুভেচ্ছা ও সম্প্রীতি বিনিময় করেন এই সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী। শুধু পরিদর্শনেই সীমাবদ্ধ না থেকে তিনি নিজ উদ্যোগে প্রতিটি পূজামণ্ডপে মিষ্টিমুখ করান, পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের উত্তরীয় পরিয়ে দেন এবং সম্মাননা উপহার প্রদান করেন।
জগন্নাথপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বারপাড়া গ্রামের কৃতি সন্তান আব্দুস সামাদ দীর্ঘদিন ধরে নিঃস্বার্থভাবে শিক্ষার বিস্তার ও মানবিক সেবায় অবদান রেখে আসছেন। তাঁর উদ্যোগে গঠিত ‘আব্দুস সামাদ ফাউন্ডেশন’ আজ এলাকার হাজারো অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের প্রধান ভরসাস্থল।
হতদরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সার্বিক খরচ বহন, স্কুল-মাদ্রাসার উন্নয়নে অনুদান এবং ঝরে পড়া রোধে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তিনি।
শীতবস্ত্র বিতরণ, অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুর্যোগ মুহূর্তে ত্রাণ সহায়তায় সবসময় সামনের সারিতে দেখা গেছে তাঁকে।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, আব্দুস সামাদ শুধু রাজনীতির জন্য নয়, হৃদয়ের টানেই সমাজসেবা করেন। তাঁর মতো একজন শিক্ষানুরাগী ও মানবিক ব্যক্তিত্বকে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জগন্নাথপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান সাধারণ মানুষ।
মণ্ডপ পরিদর্শনকালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের খোঁজখবর নেন এবং ধর্মীয় অনুভূতি ও ভালোবাসার বিনিময়ে আপ্লুত হন আব্দুস সামাদ। স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন:
“আমাদের মূল শক্তি হলো হাজার বছরের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা। জগন্নাথপুর ইউনিয়নে কোনো বৈষম্য, অন্যায় বা অস্থিতিশীলতার স্থান থাকবে না। আমি এখানে কোনো ক্ষমতার দাপট দেখাতে আসিনি, আমি এসেছি একজন সেবক হিসেবে কাজ করতে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে জগন্নাথপুরকে এমনভাবে সাজাতে চাই, যেন এটি পুরো কুমিল্লার মধ্যে একটি রোল মডেল হয়। অসাম্প্রদায়িক ও আধুনিক জগন্নাথপুর গড়ার এই সংগ্রামে আমি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা ও আশীর্বাদ চাই।”
বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনেও অত্যন্ত সৎ, দক্ষ ও জনপ্রিয় মুখ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন আব্দুস সামাদ। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কুমিল্লা জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার সদস্য সচিবের দায়িত্ব সুনামের সাথে পালন করছেন।
মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় তাঁর সাথে একঝাঁক নবীন ও প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা এবং সমাজসেবকের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। এই সফরে তারসাথে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), কুমিল্লা জেলার সদস্য সচিব সৈয়দ আহসান টিটু ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), কুমিল্লা মহানগরের সদস্য সচিব মাসুমুল বারী কাওছার সহ এনসিপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন ছাত্রশক্তি, যুবশক্তি, শ্রমিকশক্তি ও নারীশক্তি-র বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও স্থানীয় যুবসমাজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁর এই সম্প্রীতি সফরে অংশগ্রহণ করেন।
প্রতিটি পূজা কমিটির নেতৃবৃন্দ ও মণ্ডপে আগত দর্শনার্থীরা আব্দুস সামাদের এই উদারতা, সৌজন্যবোধ ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাঁর সাফল্য ও শুভকামনা জানিয়ে দীর্ঘায়ু প্রার্থনা করেন।
