তারল্য সংকট কাটিয়ে গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেওয়ার বিশেষ উদ্যোগের প্রথম দিনে চাহিদার প্রায় অর্ধেক অর্থ তুলেছেন ন্যাশনাল ব্যাংকের আমানতকারীরা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দেশজুড়ে টাকা তোলার জন্য ১৮৮ কোটি টাকার আবেদন জমা পড়লেও সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত প্রাথমিক হিসাবে উত্তোলন হয়েছে ৭৫ কোটি টাকা। একই দিনে বিভিন্ন শাখায় নতুন আমানতও জমা পড়েছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি, বেশির ভাগ শাখায় গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী টাকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
রাজধানীর মতিঝিল, দিলকুশা, বাংলা মোটর, যাত্রাবাড়ী ও ফকিরাপুল এলাকার কয়েকটি শাখায় গ্রাহকদের চাপ তুলনামূলক কম ছিল। সবচেয়ে বেশি গ্রাহক দেখা গেছে দিলকুশা শাখায়। তাদের অনেকে এক থেকে পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে আমানত তুলতে এসেছিলেন।
দিলকুশা শাখার ব্যবস্থাপক মইনুল ইসলাম জানান, গ্রাহকদের প্রায় দুই কোটি টাকা দেওয়ার চাহিদা ছিল। দিন শেষে সেখানে প্রায় দেড় কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। কাউকে টাকা না দিয়ে ফেরত পাঠাতে হয়নি বলেও জানান তিনি। একই শাখায় নতুন করে প্রায় ৫০ লাখ টাকা জমা হয়েছে।
যাত্রাবাড়ী শাখায়ও টাকা তোলার তুলনায় জমার পরিমাণ বেশি ছিল বলে জানিয়েছেন শাখা ব্যবস্থাপক রশিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সেখানে প্রায় এক কোটি টাকা নতুন করে জমা হয়েছে। উত্তোলন হয়েছে তার তুলনায় প্রায় অর্ধেক।
ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মেলিতা মেহজাবিন জানান, প্রথম দিনে দেশজুড়ে ১৮৮ কোটি টাকার উত্তোলন-চাহিদা জমা পড়েছিল। তবে গ্রাহকেরা চাহিদার তুলনায় কম টাকা তুলেছেন। তার ভাষ্য, অনেকে ব্যাংক টাকা দিতে পারবে কি না, তা যাচাই করতেও শাখায় এসেছিলেন।
