রায়গঞ্জের দেশবন্ধুপাড়ায় দেশাত্মবোধের বার্তা নিয়ে হাজির দেশবন্ধু স্পোর্টিং ক্লাবEi Samay
Published on
:
1 min read
নীলাঞ্জন দাস, রায়গঞ্জ
দুর্গাপুজো মানেই নতুন ভাবনা। সৃজনশীলতার ছোঁয়া। রায়গঞ্জের দেশবন্ধুপাড়ায় এ বার দেশাত্মবোধের বার্তা নিয়ে হাজির হচ্ছে দেশবন্ধু স্পোর্টিং ক্লাব। পুজোর ৪৮তম বর্ষে সাবেকিয়ানা ও দেশপ্রেমের মেলবন্ধনেই দর্শনার্থীদের মন জয়ের পরিকল্পনা উদ্যোক্তাদের। এ বার কোনও নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক থিমের পথে না হেঁটে দেশাত্মবোধক আবহকেই বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন তাঁরা।
মণ্ডপের ভাবনায় উঠে আসছে দেশের প্রতি শ্রদ্ধা, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগ এবং জাতীয় পতাকার গৌরব। এ বারের মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে দিল্লির 'ইন্ডিয়া গেট'-এর আদলে। আলোকসজ্জায় ফুটিয়ে তোলা হবে ভারতের জাতীয় পতাকার রং। মণ্ডপজুড়ে থাকবে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতিকৃতি। তাঁদের আত্মত্যাগকে শ্রদ্ধা জানিয়েই সাজিয়ে তোলা হচ্ছে পুজো প্রাঙ্গণ।
মণ্ডপসজ্জার দায়িত্বে পাড়ার শিল্পী অরূপ ধর। পাড়ার মৃৎশিল্পী গৌতম পালের হাতে তৈরি হচ্ছে সাবেকি ধাঁচের প্রতিমা। আধুনিক ভাবনার সঙ্গে চিরাচরিত বাঙালিয়ানার এই মেলবন্ধনই এ বারের পুজোর অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে দেশবন্ধু পাড়ায়। আলোকসজ্জার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন কাটোয়ার শিল্পীরা। তবে দেশবন্ধু স্পোর্টিং ক্লাবের পুজোর ভাবনা শুধু মণ্ডপের সাজসজ্জায় সীমাবদ্ধ নয়, উৎসবের আনন্দকে সমাজের সব স্তরের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা রয়েছে। পুজোর উদ্বোধনের দিন দুঃস্থ মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হবে বস্ত্র। অষ্টমী ও নবমীতে দর্শনার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হবে প্রসাদ।
পুজো কমিটির সদস্য বিশ্বজিৎ সরকার বলেন, 'প্রতি বছরই আমরা স্বল্প বাজেটের মধ্যে দর্শনার্থীদের ভালো পুজো উপহার দেওয়ার চেষ্টা করি। এ বার আমরা দেশাত্মবোধের বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি মাতৃ আরাধনায় যাতে কোনও ত্রুটি না থাকে, পুজোর নিয়ম নিষ্ঠায় গুরুত্ব দিয়েছি। দুঃস্থদের মধ্যে বস্ত্র বিতরণেরও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।'