সংবাদ · সাধারণ
পূজায় ঘরে বসেই কাটুন ট্রেনের টিকিট
১২/১০/২০২৬

ঈদ, পূজা
কিংবা দীর্ঘ
ছুটিতে বাড়ি
ফেরা বা
দেশের বিভিন্ন
স্থানে ভ্রমণের
জন্য অনেকেই
ট্রেন বেছে
নেন।
তুলনামূলক সাশ্রয়ী যাতায়াতের সুযোগ থাকায়
এ বাহনের
চাহিদাও থাকে
বেশি।
তবে উৎসবের সময় টিকিটের
সংকট দেখা
দেওয়ায় অনেক
যাত্রীকে ভোগান্তিতে
পড়তে হয়। এ পরিস্থিতিতে অনলাইনে টিকিট
কেনার নিয়ম
জানা থাকলে
ভ্রমণের প্রস্তুতি
সহজ হতে
পারে।টিকিট কালোবাজারি
ঠেকাতে যাত্রীর
জাতীয় পরিচয়পত্রের
(এনআইডি) তথ্য
ব্যবহার করে
টিকিট কেনার
ব্যবস্থা চালুর
উদ্যোগ নেওয়া
হয়েছে। প্রাথমিকভাবে
ঢাকা-সিলেট
রুটে এ
ব্যবস্থা চালুর
কথা জানানো
হয়েছে। এদিকে
বাংলাদেশ রেলওয়ের
ই-টিকিটিং
ওয়েবসাইট ও
‘রেল সেবা’
অ্যাপের মাধ্যমে
ঘরে বসেই
ট্রেনের টিকিট
কেনা যায়।অনলাইনে
অ্যাকাউন্ট খুলবেন যেভাবেট্রেনের টিকিট কেনার আগে ই-টিকিটিং ওয়েবসাইটে
নিবন্ধন করতে
হবে। এ
জন্য জাতীয়
পরিচয়পত্রের নম্বর, জন্মতারিখ ও সচল
মোবাইল নম্বরসহ
প্রয়োজনীয় তথ্য লাগতে পারে।নিবন্ধনের ধাপগুলো হলো:১. প্রথমে
বাংলাদেশ রেলওয়ের
ই-টিকিটিং ওয়েবসাইটে
প্রবেশ করুন।২. ওয়েবসাইটে
থাকা ‘Register’ অপশনে ক্লিক করুন।৩. এরপর
‘Create an Account’ পেজে প্রবেশ করে
প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার ঘরগুলো পূরণ
করুন।৪. নির্ধারিত
স্থানে এনআইডি
নম্বর, জন্মতারিখ,
মোবাইল নম্বরসহ
চাওয়া তথ্য
লিখুন।৫. নিবন্ধনের
জন্য মোবাইলে
নিরাপত্তা কোড পাঠানো হলে সেটি
নির্দিষ্ট ঘরে দিন।৬. সব
তথ্য যাচাই
করে ‘Register’ বাটনে ক্লিক করুন। তথ্য
সঠিক থাকলে
নিবন্ধন সম্পন্ন
হওয়ার বার্তা
পাওয়া যাবে।যেভাবে ট্রেনের টিকিট কিনবেনঅ্যাকাউন্ট খোলা হয়ে গেলে নিবন্ধিত
তথ্য ব্যবহার
করে ওয়েবসাইটে
লগইন করতে
হবে। এরপর
যাত্রার তথ্য
নির্বাচন করে
টিকিট কেনার
প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে।ধাপগুলো হলো:·
প্রথম ধাপ: ই-টিকিটিং
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে নিজের অ্যাকাউন্টে
লগইন করুন।·
দ্বিতীয় ধাপ:
‘Purchase Ticket’ অপশনে ক্লিক করুন।·
তৃতীয় ধাপ: যাত্রার তারিখ,
যাত্রা শুরুর
স্টেশন ও
গন্তব্য নির্বাচন
করুন।·
চতুর্থ ধাপ: ট্রেন, আসনের
শ্রেণি এবং
প্রয়োজনীয় টিকিটের সংখ্যা নির্ধারণ করুন।·
পঞ্চম ধাপ: নির্বাচিত ট্রেনে
আসন খালি
আছে কি
না এবং
টিকিটের মূল্য
যাচাই করুন।·
ষষ্ঠ ধাপ: পছন্দের আসন
ও যাত্রার
তথ্য ঠিক
থাকলে পরবর্তী
নির্দেশনা অনুসরণ করে কেনার প্রক্রিয়া
এগিয়ে নিন।টিকিটের
দাম পরিশোধের নিয়মটিকিট কেনার
সময় ওয়েবসাইটে
প্রদর্শিত পেমেন্ট পদ্ধতি থেকে সুবিধামতো
একটি বেছে
নিতে হবে।
নির্ধারিত ব্যাংক কার্ড বা অনলাইন
পেমেন্টের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করা
যেতে পারে।পেমেন্ট সফল হলে সাধারণত নিবন্ধিত
ই-মেইল
ঠিকানায় ই-টিকিট পাঠানো
হয়। এ
ছাড়া ওয়েবসাইট
বা অ্যাপের
অ্যাকাউন্ট থেকেও টিকিটের তথ্য দেখা
যেতে পারে।ট্রেনে ওঠার আগে যা করবেনটিকিট কেনা
সম্পন্ন হলে
ই-টিকিটের
কপি সংরক্ষণ
করে রাখুন।
প্রয়োজন মনে
করলে এর
একটি প্রিন্ট
কপিও সঙ্গে
নিতে পারেন।
ভ্রমণের সময়
টিকিটের পাশাপাশি
নিজের জাতীয়
পরিচয়পত্র বা প্রযোজ্য পরিচয়পত্র সঙ্গে
রাখা ভালো,
যাতে যাচাইয়ের
সময় সমস্যায়
পড়তে না
হয়।ই-টিকিটের
বিপরীতে মুদ্রিত
টিকিট সংগ্রহের
প্রয়োজন আছে
কি না,
তা যাত্রার
আগে বাংলাদেশ
রেলওয়ের নির্দেশনা
থেকে জেনে
নিন।
অনলাইনে টিকিট কেনার আগে যাত্রার
তারিখ ও
গন্তব্য ঠিক
করে রাখলে
পুরো প্রক্রিয়া
সহজ হয়।
পাশাপাশি টিকিট
কেনা ও
ভ্রমণের ক্ষেত্রে
রেলওয়ের সর্বশেষ
নির্দেশনা অনুসরণ করাও জরুরি।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗