সিলেট ভয়েস ডেস্ক · ২১ অক্টোবর, ২০২৬ ১:০৮ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ ও নেপালের যৌথ আয়োজনে আগামী ২১ জানুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের তৃতীয় আসর। টুর্নামেন্টের ম্যাচ আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের দুটি ভেন্যুর একটি সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। ফলে বিশ্বকাপের ম্যাচ ঘিরে আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেটের তরুণ প্রতিভাদের খেলা দেখার সুযোগ পাবেন সিলেটের দর্শকেরা।
১৬টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে এবারের প্রতিযোগিতা। দলগুলো চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, নাইজেরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। উদ্বোধনী দিনেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে স্বাগতিক বাংলাদেশ।
গ্রুপ পর্বে অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের মুখোমুখি হতে হবে বাংলাদেশকে। পাশাপাশি নাইজেরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ভালো ফল করে সুপার সিক্স পর্বে ওঠার লক্ষ্য থাকবে স্বাগতিকদের।
বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো হবে চারটি ভেন্যুতে। বাংলাদেশের সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পাশাপাশি নেপালের কাঠমান্ডুর টিইউ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং আপার মুলপানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে ম্যাচ।
২১ জানুয়ারি টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরদিন মাঠে নামবে সহ-আয়োজক নেপাল। তাদের প্রতিপক্ষ আয়ারল্যান্ড। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারতও প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে।
গ্রুপ পর্বের খেলা চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর যোগ্যতা অর্জনকারী দলগুলো খেলবে সুপার সিক্স পর্বে। দুই গ্রুপের শীর্ষ দুটি করে দল উঠবে সেমিফাইনালে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুটি সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। ৫ ফেব্রুয়ারি রাখা হয়েছে রিজার্ভ ডে।
বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে ৬ ফেব্রুয়ারি, বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে। ফাইনালের জন্য ৭ ফেব্রুয়ারি রিজার্ভ ডে নির্ধারণ করা হয়েছে।
২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতার এবারের আসরে ১৬টি দলের অংশগ্রহণ তরুণ নারী ক্রিকেটারদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরার সুযোগ করে দেবে। আইসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জোগ গুপ্তের মতে, এই টুর্নামেন্ট তরুণ ক্রিকেটারদের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। বাংলাদেশ ও নেপালে বিশ্বকাপ আয়োজন নারী ক্রিকেটের উদীয়মান প্রতিভা তুলে ধরার পাশাপাশি নতুন ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর খেলোয়াড়দের বিকাশেও ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে আইসিসি।
গুগলে আমাদের খবর পেতে
