ঠিক যেন জিম্বাবুয়ে ম্যাচের বোলিংয়ের চিত্র। পাওয়ার-প্লের মধ্যে দুটি উইকেট এনে দিলেন তাসকিন আহমেদ। এরপর খেলা অন্তত ১২ ওভার আর কোনো উইকেটের দেখা পায়নি বাংলাদেশ। টাইগারদের অপেক্ষা বাড়িয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল স্বাগতিক আফগানিস্তান। অবশেষে বাংলাদেশকে উইকেট এনে দিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান।
আজ বুধবার (২১ অক্টোবর) আরব আমিরাতের শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রান তাড়ায় নেমে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৯৫ রান তুলেছে আফগানিস্তান। ৫১ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত আছেন রহমত শাহ। তাকে সঙ্গ দিতে এসেছেন হাশমতুল্লাহ শাহিদি।
পাওয়ার-প্লেতে দুই উইকেট হারানো আফগানদের দায়িত্ব নিয়েছিলেন ওপেনার ইব্রাহীম জাদরান আর অধিনায়ক রহমত শাহ। তৃতীয় উইকেটে পঞ্চাশ ছাড়ানো রানের জুটি গড়েছিলেন এই দুইজন। এতে সমীকরণ তো বটেই, ক্রমেই ম্যাচ থেকেই ছিটকে যাচ্ছিল বাংলাদেশ।
অবশেষে বাংলাদেশকে উইকেট এনে দিয়েছেন মুস্তাফিজ। ২০তম ওভারের শেষ বলে হাফসেঞ্চুরির পথে হাঁটা জাদরানকে ফিরিয়েছেন তিনি। এতে ভেঙেছে ৫৮ রানের জুটি। নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ৪৮ বলে ৩৪ রান করেছেন জাদরান।
আবারও আফগান শিবিরে তাসকিনের আঘাত
প্রথম ম্যাচের পাফরম্যান্স ফিরিয়ে আনছেন তাসকিন আহমেদ। লড়াইটা কঠিন। তবুও নিজের কাজটা করে যাচ্ছেন তিনি। পাওয়ার-প্লের মধ্যে আফগানদের দুই উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি। সর্বশেষ ফিরিয়েছেন সেদিকুল্লাহ অটলকে।
উইকেটে এসে দেখেশুনে খেলার চেষ্টা করছিলেন অটল। প্রথম ১১ বল থেকে কোনো রান পাননি তিনি। ১২তম বলে চার মেরে রানের খাতা খুলেছিলেন। তবে পরের বলেই তাকে সাজঘরের পথ দেখিয়েছেন তাসকিন। ১৩ বলে ৪ রান করা অটলকেও ফিরিয়েছেন বোল্ড করেছেন।
তাসকিনের হাত ধরে প্রথম উইকেট বাংলাদেশের
স্বল্প রানের পুঁজি নিয়ে বোলিংয়ে শুরুটা ভালোই খরুচে হয়েছে বাংলাদেশের। তবে রান দিলেও উইকেট তুলে নিয়েছে একটি। তাসকিনের হাত ধরে প্রথম সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ।
তাসকিনের করা তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে গিয়ে আঘাত করে স্ট্যাম্পে। বোল্ড হয়ে ফিরে যান রহমানউল্লাহ গুরবাজ। ৮ বলে ৬ রান করেছেন তিনি।
দেড়শ পার করেই অলআউট বাংলাদেশ
ফাইনালে যেতে বড় রান করে বোলারদের লড়াইয়ের পুঁজি দিতে হতো। কিন্তু ব্যাটাররা কি করলেন? প্রথম ম্যাচের চেয়ে আরও করুণ অবস্থা বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের। কি টপঅর্ডার আর কি মিডলঅর্ডার–সবাই বন্দি একই খোলসে। ব্যর্থতার ষোলকলা পূর্ণ করে ফিরলেন তারা। বাংলাদেশ থেমেছে ১৬০ রানে।
