ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে শামিল হতে ভারতে এসে বরসড় বিপাকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। এবার ৭ বছরের পুরনো মামলায় মোদি বিরোধী ইউটিউবারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করল দিল্লির এক আদালত। তবে ওই পরোয়ানা জামিন যোগ্য। ফলে পুলিশ ধ্রুব রাঠিকে গ্রেপ্তার করলেও তাঁকে হাজতে থাকতে হবে না। জামিন পেয়ে যাবেন।
২০১৮ সালে ধ্রুব রাঠির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন বিজেপি সমর্থক বিকাশ পাণ্ডে। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করেছিলেন তিনি। ওই মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়াল ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। কিন্তু ধ্রুব দীর্ঘদিন জার্মানিতে থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারেনি আদালত। তিনি ভারতে ফিরতেই তাঁকে সমন পাঠিয়েছিল সাকেত আদালত। এবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হল।
ঠিক কী ছিল ওই মামলায়? বিকাশ পাণ্ডে নামের ওই বিজেপি সমর্থক ‘আই সাপোর্ট নরেন্দ্র মোদি’ নামক একটি সমাজমাধ্যম পেজের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর অভিযোগ, ২০১৮ সালের মে মাসে ধ্রুব ‘বিজেপি আইটি সেল পার্ট ২’ নামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে তিনি তাঁকে বিজেপির আইটি সেলের সদস্য বলে দাবি করেছিলেন। ভিডিওতে তাঁকে নিয়ে মিথ্যা ও মানহানিকর মন্তব্যও করেছিলেন বলে অভিযোগ ধ্রুবের বিরুদ্ধে। সেই মামলাতেই এবার গ্রেপ্তারির মুখে রাঠি।
প্রসঙ্গত, গত শনিবার দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভের আগেই গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে আটক করা হয় ধ্রুবকে। প্রায় ২০-২২ ঘণ্টা পর এদিন রাতেই তাঁকে মুক্তি দেয় পুলিশ। তাঁকে আটক করা হয়নি। ফলে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পেশ করারও প্রয়োজন পড়েনি। তবে দিল্লির এক পুলিশকর্তা জানিয়েছেন, আগামী দিনে যদি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে তিনি ফের যন্তর মন্তরে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে বা তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোনও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
