মৃতের পরিবারের লোকজনছবি: eisamay.com
Published on
:
1 min read
পুকুর থেকে উদ্ধার হয়েছে এক আদিবাসী মহিলার দেহ। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বংশীহারী থানার এলাহাবাদ অঞ্চলের মোকরামপুর গ্রামের পুকুর থেকে দেহ উদ্ধার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। মহিলাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের। এই খুনের অভিযোগ উঠেছে মহিলার দ্বিতীয় স্বামীর বিরুদ্ধে। এর পর থেকেই নিখোঁজ ওই মহিলার স্বামী। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম মেনকা পুঝর (৪০)। রবিবার সকালে মোকরামপুর গ্রামের বান্ডিয়া দীঘি থেকে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ।
শনিবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন মেনকা। রবিবার সকালে ওই পুকুরে তাঁর দেহ ভাসতে দেখেন এলাকার লোকজন। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে খবর পেয়ে এলাকায় আসে বংশীহারী থানার পুলিশ। মেনকার দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে।
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বিদেশে দাদনের কাজে যাওয়ার সূত্রে মোকরামপুরের বাসিন্দা চন্দন সরেনের সঙ্গে মেনকার পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় এক বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই দু’জনের মধ্যে অশান্তি চলত বলে অভিযোগ।
মৃতের আত্মীয় অর্চনা পুঝর এবং তাঁর মা খুকি পুঝরের অভিযোগ, শনিবার মেনকার দ্বিতীয় স্বামী চন্দন তাঁদের বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে যান। মেনকাকে প্রাণে মেরে ফেলার আশঙ্কা করেছিলেন তাঁরা। এর পর রবিবার সকালে পুকুরে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হওয়ার পর ঘটনায় নতুন করে রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। এই মৃত্যুর ঘটনায় চন্দন সরেনের হাত যোগ থাকতে বলেও বলেও পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ।
কী কারণে মেনকার মৃত্যু হয়ে হয়েছে তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরেই জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় তদন্তের পাশাপাশি চন্দনের খোঁজ করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।
