মাগুরায় নসিমন উল্টে চালকের মৃত্যু
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫০ পিএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->মাগুরা-ঝিনাইদহ মহাসড়কের আলমখালী বাজার এলাকায় নসিমন উল্টে মো. আব্দুস সাত্তার (৪৫) নামে এক চালকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে মাগুরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আব্দুস সাত্তার চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত হক সাহেব। তিনি পেশায় নসিমন চালক ছিলেন।
আরও পড়ুন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে মালামাল নেওয়ার উদ্দেশে দর্শনা থেকে মাগুরা সদর উপজেলার কছুন্দী ইউনিয়নের রামনগর এলাকায় আসে আব্দুস সাত্তার। পথে মাগুরা-ঝিনাইদহ মহাসড়কের আলমখালী বাজার পার হয়ে মাগুরার দিকে প্রায় ২০০ গজ এগিয়ে আনোয়ারের করাতকলের সামনে পৌঁছালে নসিমনটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে চালক নসিমনের নিচে চাপা পড়ে বুকে আঘাত পান।
পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মাগুরা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আরও পড়ুন
রামনগর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম জানান, দুর্ঘটনাকবলিত নসিমনটি হাইওয়ে থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় মাগুরা সদর থানায় অপমৃত্যু মামলার প্রক্রিয়া চলছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে মরদেহটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
কাসেমুর রহমান শ্রাবণ/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে রাজাপুর প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৬ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->ঝালকাঠিতে সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন ও নাগরিক প্রত্যাশা পূরণে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে রাজাপুর প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রেসক্লাবের সভাকক্ষে ৩৫তম বছর, প্রতিবন্ধকতা ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রাজাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট তালুকদার আবুল কালাম আজাদ।
আরও পড়ুন
বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম, ঝালকাঠি প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. মাসুম বিল্লাহ পারভেজ ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বাবু রতন দেবনাথ।
বক্তারা বলেন, ‘সাংবাদিকতা সমাজের দর্পণ। নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, অনিয়ম তুলে ধরা এবং নাগরিক প্রত্যাশা পূরণে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
আরও পড়ুন
এ সময় বক্তারা এলাকার উন্নয়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও সুধীসমাজের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।’
সভায় রাজাপুর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুল বারেক ফরাজী, সাধারণ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান, সাবেক সভাপতি মো. এনামুল হোসেন খান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শামসুল আলম বাবুলসহ প্রেসক্লাবের অন্যান্য সদস্য ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাজাপুর প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাবু গোপাল কর্মকার।
নেয়ামুল আহসান/অলি/
আরও পড়ুন
সাতকানিয়ায় বাবা-মেয়ের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পুলিশের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ৪
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৭ পিএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তারদের নাম জানা যায়নি।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে উপজেলার কালিয়াইশ ইউনিয়নের মীরনগর ও রসূলাবাদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে শনিবার সকালে সড়ক পরিবহন আইনের পাশাপাশি নাশকতা, সরকারি কাজে বাধা ও সরকারি সম্পদ ক্ষতিসাধনসহ বিভিন্ন অভিযোগে দুটি মামলা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
এর আগে, শুক্রবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কালিয়াইশ ইউনিয়নের নয়াখালের উত্তর পাশে ডিবিএম ইটভাটা এলাকায় বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা দেলোয়ার হোসেন (৩২) ও তার দুই বছর বয়সি মেয়ে ওয়াসিফার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় একই পরিবারের আরও চারজন আহত হন।
দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত লোকজন ঘাতক বাসটিতে আগুন দিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। সড়কের উভয় পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটারজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়, দুর্ভোগে পড়েন হাজারো যাত্রী।
আরও পড়ুন
এ সময় ঘটনাস্থলে যাওয়া হাইওয়ে পুলিশ বাধার মুখে পড়ে। পরে সাতকানিয়া থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) জাহেদের নেতৃত্বে একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গেলে তাদের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর এবং অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এমনকি আগুন নেভাতে যাওয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদেরও বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে এক পুলিশ সদস্য আহত হন বলে জানা গেছে।
পরে সাতকানিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এরপর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
শুক্রবার রাতে থানা পুলিশের দায়িত্বে থাকা এসআই জাহেদ বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হতাহতদের উদ্ধারের জন্য আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে যাই। পথিমধ্যে দুষ্কৃতিকারী আমাদের ওপর হামলার পাশাপাশি গাড়ি ভাঙচুর করে। এতে আমাদের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’
এদিকে, দোহাজারী হাইওয়ে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে মহাসড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে টোকেন বাণিজ্যের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন আসামিকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। পরবর্তীতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হবে।
আরিফুল ইসলাম/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
ইলিশ রক্ষা অভিযান পটুয়াখালীতে জেলেদের হামলায় পুলিশ সদস্যসহ আহত ২
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->পটুয়াখালীর গলাচিপায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে জেলেদের হামলায় এক পুলিশ কনস্টেবল ও স্পিডবোটচালক আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে বুড়াগৌরাঙ্গ নদীর কালিরচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- গলাচিপা থানার কনস্টেবল মো. জসিম ও অভিযানে ব্যবহৃত স্পিডবোটেরচালক মো. শাহজালাল। তাদের উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কনস্টেবল জসিমের হাতে গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুন
মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে অবৈধভাবে ইলিশ শিকার করা হচ্ছে এমন খবর পেয়ে শুক্রবার বিকেলে অভিযান চালায় মৎস্য বিভাগের একটি দল। অভিযানে মৎস্য বিভাগের সদস্যদের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরাও অংশ নেন।
অভিযানকারী দল স্পিডবোট নিয়ে নদীতে ইলিশ শিকার করা ট্রলারগুলোর দিকে এগিয়ে যায়। একপর্যায়ে একটি ট্রলারকে প্রায় ১০ মিনিট ধাওয়া করে সেটির কাছাকাছি পৌঁছালে ট্রলারে থাকা জেলেরা বৈঠা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে অভিযানকারী দলের ওপর হামলা চালান।
আরও পড়ুন
এ সময় স্পিডবোটের চালক শাহজালালকে বৈঠা দিয়ে আঘাত করা হয়। তাকে রক্ষা করতে পুলিশ কনস্টেবল জসিম এগিয়ে গেলে তাকেও বৈঠা দিয়ে আঘাত করেন জেলেরা। এতে তার হাত কেটে রক্তাক্ত জখম হয়।
অভিযানে অংশ নেওয়া মৎস্য বিভাগের সদস্য সুধাংশু বলেন, ঘটনার সময় নদীতে বেশ কয়েকটি ট্রলারে ইলিশ শিকার করা হচ্ছিল। এর মধ্যে একটি ট্রলারকে প্রায় ১০ মিনিট ধরে ধাওয়া করে অভিযানকারী দল। পরে ট্রলারটির কাছাকাছি পৌঁছালে জেলেরা বৈঠা দিয়ে স্পিডবোটের চালককে আঘাত করেন। চালককে রক্ষা করতে গেলে কনস্টেবল জসিমও হামলার শিকার হন।
তিনি আরও বলেন, জেলেরা দ্রুতগতির ডাবল ইঞ্জিনচালিত ট্রলার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে একটি ট্রলারে ১০ থেকে ১২ জন জেলে অবৈধভাবে ইলিশ শিকার করছিলেন। তাদের আটক করতে গেলে অভিযানে ব্যবহৃত স্পিডবোটে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার বা শনাক্ত করা যায়নি বলেও জানান তিনি।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
হাসিবুর রহমান/খাদিজা রুমি/
আরও পড়ুন
ধামরাইয়ে রিকশার গ্যারেজে ডাকাতির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪
প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১২ পিএম
আপডেট: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
ডাকাতির মামলায় গ্রেফতার চার ডাকাত ছবি: খবরের কাগজ
-->ঢাকার ধামরাইয়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার গ্যারেজে ডাকাতির ঘটনার দেড় মাস পর রিকশার ব্যাটারি, সিসি ক্যামেরার ডিভিআর বক্সসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল ও নগদ টাকা লুটের ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে ধামরাই থানা পুলিশ। এ ডাকাতির ঘটনায় চার ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে গ্রেপ্তার চার ডাকাতকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান।
আরও পড়ুন
এর আগে ধামরাইয়ের আলোচিত রিকশা গ্যারেজের ডাকাতির ঘটনায় দেড় মাস ধরে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে ধামরাই থানা পুলিশ। পরে নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় ধামরাই থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) এস এম কাউসার সুলতানের নেতৃত্বে ধামরাই থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারসহ ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত চার ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন, চক্রের মূল হোতা নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার রামনগর এলাকার সোহেল (৩০), কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার ধানুসারা গ্রামের ইমাম হোসেন শাওন (৩২), চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ থানার মো. সবুজ (২৯) এবং কুমিল্লা জেলার বরিচং থানার পালটি রাজাপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান ওরফে রনক ওরফে রনি (২৬)। তারা সবাই ডাকাতিসহ একাধিক মামলার আসামি বলে জানা যায়।
আরও পড়ুন
এ বিষয়ে ধামরাই থানার এসআই এস এম কাউসার সুলতান বলেন, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডাকাতির ঘটনার দেড় মাস পর নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের মূল হোতা সোহেলসহ চার ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ডাকাতি হওয়া মালামাল এবং ডাকাতির জন্য ব্যবহৃত একটি পিক-আপ ভ্যান উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত গত ১০ সেপ্টেম্বর সূতিপাড়া ইউনিয়নের ছোট কালামপুর এলাকায় একটি গ্যারেজ থেকে নৈশপ্রহরীকে জিম্মি করে ইজি বাইক, ব্যাটারি ও সিসি ক্যামেরার ডিভিআর বক্সসহ প্রায় ১১ লাখ টাকার মালামাল লুট করে ডাকাত দল।
কোনো ক্লু না থাকায় আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত চালিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত ৩টি ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ১টি পিকআপ ভ্যান উদ্ধার করা হয়েছে। ডাকাত চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে বলে জানা যায়।
রুহুল আমিন/অলি/
