গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে (গবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (গকসু) ভিপি ইয়াছিন আল মৃদুল বলেন, “ বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন লিফট স্থাপনের অনুমোদন ট্রাস্টি বোর্ডের কারণে আটকে আছে। লিফটের সমস্যা সমাধানে এক বছর চেষ্টা করেও সফল হইনি আমরা। তবে, আগামী এক বছরও এ নিয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাব।”
বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) রাতে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. মারুফের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে তিনি এ কথা বলেন।
ইয়াছিন আল মৃদুল দেওয়ান বলেন, ছাত্র সংসদেরও কিছু ব্যর্থতা রয়েছে। এর মধ্যে লিফটের সমস্যা অন্যতম। নিচতলা থেকে পাঁচ তলায় উঠতে তার নিজেরও কষ্ট হয়। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ইশতেহারেও লিফটের বিষয়টি ছিল। এ কারণে এ নিয়ে তাদের সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন বলে জানান ভিপি। উপাচার্য ছাত্র সংসদের সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে আরেকটি লিফট স্থাপনের জায়গা রয়েছে এবং সেখানেই লিফট স্থাপন করতে চান তিনি।
ভিপি বলেন, “একটি লিফট স্থাপনে সর্বোচ্চ ২০ থেকে ৩০-৩৫ লাখ টাকা খরচ হতে পারে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি খুব বড় অঙ্কের টাকা নয়। তবে, সমস্যাটি তৈরি করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ড।”
ট্রাস্টি বোর্ডের পক্ষ থেকে জাফরুল্লাহ স্যারের নীতির কথা বলা হয় উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, “জাফরুল্লাহ স্যার যখন ছিলেন, তখন শিক্ষার্থীদের লিফট ব্যবহার করতে দেওয়া হতো না। তার নির্দেশনা ছিল, শুধু বয়স্ক শিক্ষকেরা লিফট ব্যবহার করবেন, শিক্ষার্থীরা নয়। তবে, বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামায় অভ্যস্ত নয়।” ট্রাস্টি বোর্ড থেকেই লিফট স্থাপনের বিষয়টি অনুমোদন করা হচ্ছে না।
তিনি আরো জানান, তারা চেষ্টা করতে পারেন এবং তাগিদ দিতে পারেন। কিন্তু লিফট স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া ও তা বাস্তবায়ন করা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং ট্রাস্টি বোর্ডের ওপর নির্ভর করে। গণ বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টি বোর্ড দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় বিষয়টি অনেককে বোঝানো কঠিন। এ কারণেই লিফট নিয়ে তাদের সবচেয়ে বেশি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
