নীলোৎপল বড়ুয়া বলেন, পুরুস্কার মানে একপ্রকার স্বীকৃতি। এই ডিজি'স অল রাউন্ড পারফর্মেন্স অ্যাওয়ার্ড শিক্ষক হিসেবে আমার যোগ্যতার স্বীকৃতি। আমি খুব আনন্দিত ও সন্তুষ্ট। স্বীকৃতি যে কোনো মানুষকে তার কাজে আরো উৎসাহ যোগায়।
স্টাফ রিপোর্টার, রামু
সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষকদের জন্য আয়োজিত ইনডাকশন ট্রেনিংয়ে অলরাউন্ড পারফরমেন্সের জন্যে ডিজি’স (ডিরেক্টর জেনারেল’স) অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন রামুর কৃতীসন্তান নীলোৎপল বড়ুয়া। তিনি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার হাজী এম এ কালাম সরকারি কলেজের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক।
বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম), ঢাকায় আয়োজিত নতুন সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষকদের ৭৮তম ইনডাকশন ট্রেনিংয়ে অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের জন্য তাঁকে এ অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়। গত ১৭ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া ৪৫ দিনের এ প্রশিক্ষণে দেশের বিভিন্ন সরকারিকৃত কলেজের ২০০ জন শিক্ষক পাঁচটি ব্যাচে অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণ শেষে গত ৩০ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে নীলোৎপল বড়ুয়ার হাতে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নায়েমের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন প্রধান অতিথি এবং শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন।
জানা গেছে, নীলোৎপল বড়ুয়া চাকরিসূত্রে বান্দরবান জেলার শিক্ষক হলেও জন্মসূত্রে তিনি কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা। সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার শিক্ষকদের মধ্যে তিনিই প্রথম এ গৌরবজনক ডিজি’স অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন।
শিক্ষকতার পাশাপাশি নীলোৎপল বড়ুয়া লেখালেখি এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ 'মর্ত্যে রচিব অমরাবতী'। তাঁর রচিত গল্প 'ঝুলে আছে মাশৈ ' বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্বতন্ত্র পাঠ্য হিসেবে অনুমোদিত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশ বেতার, কক্সবাজারের একজন আবৃত্তিশিল্পী, সংবাদ পাঠক ও উপস্থাপক। শিক্ষকতা, সাহিত্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অবদানের পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ের এ সম্মাননা অর্জনের মধ্য দিয়ে নীলোৎপল বড়ুয়া রামু তথা কক্সবাজার অঞ্চলের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন।
নীলোৎপল বড়ুয়া বলেন, পুরুস্কার মানে একপ্রকার স্বীকৃতি। এই ডিজি'স অল রাউন্ড পারফর্মেন্স অ্যাওয়ার্ড শিক্ষক হিসেবে আমার যোগ্যতার স্বীকৃতি। আমি খুব আনন্দিত ও সন্তুষ্ট। স্বীকৃতি যে কোনো মানুষকে তার কাজে আরো উৎসাহ যোগায়।
