কালবেলা · সাধারণ
চুয়াডাঙ্গায় অবৈধভাবে মজুত ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ
২৫/১০/২০২৬

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানের সময় মজুত করা সারের পক্ষে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি সংশ্লিষ্ট ডিলার।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দামুড়হুদা উপজেলার বিএডিসির সার ডিলার ‘নাঈম অটোমোবাইল ও বীজ ভাণ্ডার’-এর একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়।
অভিযানকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজ্জাদ হোসেন ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণা সরকার উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজ্জাদ হোসেন ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ সরকার যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে গোডাউনটিতে সরকারি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বিপুল পরিমাণ সার মজুত রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে সেখান থেকে ৩৭০ বস্তা টিএসপি, ১ হাজার ১২০ বস্তা ডিএপি ও ১০ বস্তা এমওপি সার জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে জব্দ করা সারের পরিমাণ ১ হাজার ৫০০ বস্তা।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজ্জাদ হোসেনের উপস্থিতিতে গোডাউনটি সিলগালা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব সার মজুত করা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। জব্দ করা সার অবৈধভাবে মজুতের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ সরকার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিএডিসির সার ডিলারের গোডাউনে যৌথ অভিযান চালিয়ে তিন ধরনের ১ হাজার ৫০০ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। এসব সারের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি ডিলার। এ ঘটনায় দামুড়হুদা মডেল থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে।
দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেসবাহ উদ্দিন বলেন, ‘অবৈধভাবে সার মজুদের দায়ে দামুড়হুদার নাঈম অটো মোবাইল ও বীজ ভাণ্ডারের স্বত্বাধিকারী নাঈম হোসেনের বিরুদ্ধে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মূল প্রতিবেদনে যান ↗