আসন্ন আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লীগ বা এপিলের বাকি থাকা দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি স্পট পূরণের জন্য পাঁচটি পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে একটি আফগানিস্তানের এবং বাকিগুলো ভারত ও অন্যান্য বাজারের। পাঁচ দলের এই টুর্নামেন্টটি আয়োজনের জন্য আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড বা এসিবির তিন জন ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। আগামী ২৭ ডিসেম্বর থেকে পুনরায় মাঠে গড়ানোর কথা রয়েছে এই ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টটির।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী আসরটি সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হলেও, ভবিষ্যতে টুর্নামেন্টটি অন্য কোনো ভেন্যুতে স্থানান্তরের সুযোগ উন্মুক্ত রেখেছে এসিবির কর্তকর্তারা। এর আগে ২০১৮ সালে উদ্বোধনী আসর অনুষ্ঠিত হওয়ার পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে এই প্রতিযোগিতা। বাণিজ্যিক অংশীদার স্নিক্সার স্পোর্টসের সঙ্গে পূূর্ণাঙ্গ রাইটস ফি পরিশোধ নিয়ে মতবিরোধ এবং এসিবির চুক্তি বাতিলের কারণে এর আগে দ্বিতীয় আসর স্থগিত করা হয়েছিল। ফ্র্যাঞ্চাইজি পেতে অসুবিধার কারণে এবারও টুর্নামেন্ট পেছানোর গুঞ্জন উঠলেও তা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন এসিবির প্রধান নির্বাহী নাসিব খান।
নাসিব খান পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, নির্ধারিত সময়েই পাঁচ দলের অংশগ্রহণে মাঠে গড়াবে এপিল। এ মাসের শেষ সপ্তাহে খেলোয়াড়দের ড্রাফট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। টুর্নামেন্টের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষস্থানীয় খেলোয়াড়সহ প্রায় ১ হাজার ৫০০ ক্রিকেটার নাম নিবন্ধন করেছেন, যা এসিবির জন্য অত্যন্ত উৎসাহব্যাঞ্জক। নিবন্ধিত খেলোয়াড়দের যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে এবং অনুমোদিত মানদণ্ড অনুযায়ী ফ্র্যাঞ্চাইজির চাহিদা সাপেক্ষে কোচ ও অধিনায়ক নির্বাচিত করা হবে।
স্বত্বাধিকারী ও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত সতর্ক ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগোচ্ছে এসিবির বাণিজ্যিক অংশীদাররা। দ্রুততার চেয়ে আর্থিকভাবে সক্ষম ও অভিজ্ঞ অংশীদার নির্বাচনকেই প্রধান অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে আশাবাদী এসিবি। ইংরেজ খেলোয়াড়রা নীতি ও শিডিউল মেনে এপিল টুর্নামেন্টে অংশ নেবেন এবং তাদের ছাড়পত্র বা এনওসি পাওয়া নিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার পরিবেশ বজায় থাকবে বলে বোর্ড আত্মবিশ্বাসী।
