পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় সীমান্ত এলাকায় মাদক উদ্ধারে পুলিশের দুই সদস্য কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান ও এএসআই ইমরান হোসেন গেলে তাঁদের ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
গত ১৫ অক্টোবর বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে কুমিল্লার সীমান্ত এলাকা থেকে দুই পুলিশ সদস্যকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) এক বিবৃতি মিয়া গোলাম পরওয়ার এ প্রতিবাদ জানান।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় সীমান্ত এলাকায় মাদক উদ্ধারে পুলিশের দুই সদস্য কনস্টেবল রোহিত দেওয়ান ও এএসআই ইমরান হোসেন গেলে তাঁদের ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ধরে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রতিবেশী দুই রাষ্ট্রের মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং পারস্পরিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে সীমান্তরক্ষী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা পালন করতে হবে। কিন্তু ভারতীয় পক্ষের আগ্রাসী মনোভাব তা ক্ষুণ্ণ করছে, যা মোটেই কাম্য নয়। এটি অগ্রহণযোগ্য এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইনের লঙ্ঘন। আমি ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গভীরভাবে সংশোধন করে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, সীমান্তের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উভয় দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বিভিন্ন বাহিনীকে সতর্ক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। আমি অবিলম্বে বিএসএফের ধরে নিয়ে যাওয়া বাংলাদেশি পুলিশ সদস্যদের সসম্মানে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
গোলাম পরওয়ার বলেন, বর্তমান সরকারের দুর্বল পররাষ্ট্রনীতির কারণে প্রতিবেশী ভারত বাংলাদেশের প্রতি সম্মানজনক আচরণ করছে না। এ জন্য বাংলাদেশ সরকারকে কূটনৈতিকভাবে বিষয়টির প্রতিবাদ জানানো এবং প্রতিকার দাবি করার আহ্বান জানাচ্ছি।
