জি এম কাদেরের বাসায় হামলা
প্রকাশ: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৭ পিএম
আপডেট: ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে উত্তরা ৭ নম্বর সেক্টরের ৩৩ নম্বর সড়কে অবস্থিত বাড়িটিতে হামলা হয়।
হামলার সময় জি এম কাদের বাসায় ছিলেন। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হননি বলে জানিয়েছেন জাপা চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি শৌর্য দীপ্ত সূর্য।
আরও পড়ুন
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সোমবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে একদল দুষ্কৃতকারী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের উত্তরার বাসভবনে হামলা করে।’
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) রেজাউল করিম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই হামলাকারীরা চলে যায়।’ তাদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন
এদিকে একাধিক ভিডিওতে দেখা যায়, এক দল লোক বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে জি এম কাদেরের বাসায় ইট নিক্ষেপ করছে। তাদের হাতে ছিল একাধিক ব্যানার। এ সময় জি এম কাদেরের গ্রেপ্তারের দাবিও জানান তারা।
অন্যদিকে, জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, এ ঘটনায় পরবর্তী করণীয় পরে জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে কারা এ হামলা চালিয়েছে, হামলায় কেউ হতাহত হয়েছেন কি-না কিংবা কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বিবৃতিতে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
সালমান/
আরও পড়ুন
জামায়াত-আ. লীগের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রাশেদ খানের
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১০ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। ছবি: খবরের কাগজ
-->আওয়ামী লীগ দিল্লি থেকে আর জামায়াতে ইসলামী দেশে বসে ষড়যন্ত্র করছে। তবে অতীতের মতো এবারও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি সরকার সব ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।
রবিবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
রাশেদ খান বলেন, ‘পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দিল্লিতে বসে আর বাংলাদেশে বসে দেশবিরোধী জামায়াতে ইসলামী চক্রান্ত করছে। জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ মিলে ১৯৯৬ ও ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে এরশাদের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করার জন্য দেশের বিরুদ্ধে, জনগণের বিরুদ্ধে ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছিল।’
আরও পড়ুন
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, ‘সেই চক্রান্ত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশের জনগণ মোকাবিলা করেছিল। অর্থাৎ আওয়ামী লীগ ও জামায়াত অতীতেও দেশের বিরুদ্ধে এবং বিএনপির বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছে। বিএনপি তা মোকাবিলা করেছে। জনগণের সহযোগিতায় বর্তমান বিএনপি সরকারও সব ষড়যন্ত্র ও চাপ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে।’
এর আগে দুপুরে তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের পাঠানটুলী এলাকায় অবস্থিত আব্বাসী মঞ্জিল জৌনপুরী দরবার শরিফে মুফতি ড. সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম ফয়েজ উদ্দিনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।
আরও পড়ুন
বিল্লাল/রিফাত/
আরও পড়ুন
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন ২৯২ জন
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ২৯২ জন ভোটার। তাদের মধ্যে দেশের বাইরে থেকে ২৯ জন এবং দেশের ভেতরে ২৬৩ জন ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধিত হয়েছেন।
শনিবার (১০ অক্টােবর) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্বাচন পরিচালনা শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে বিদেশ থেকে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন ২৯ জন। তাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাঁচজন, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য ও কানাডা থেকে চারজন করে ভোটার রয়েছেন। এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়া থেকে দুজন করে এবং জার্মানি, ইতালি, পর্তুগাল ও অস্ট্রিয়া থেকে একজন করে নিবন্ধন করেছেন।
আরও পড়ুন
অন্যদিকে, দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন ২৬৬ জন। এর মধ্যে ২৬৩টি আবেদন অনুমোদন দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ফলে দেশের ভেতরে ও বিদেশে মিলিয়ে মোট ২৯২ জন ভোটার এ উপনির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।
আগামী ২৯ অক্টোবর ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
আরও পড়ুন
প্রার্থীরা হলেন- বিএনপির মির্জা ফয়সল আমিন (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. দেলাওয়ার হোসেন (দাঁড়িপাল্লা), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী (বটগাছ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ ডা. মো. খাদেমুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক (ডাব)।
পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দেওয়ার এই সুযোগের ফলে দেশের ভেতরে ও বিদেশে অবস্থানরত নিবন্ধিত ভোটাররা সরাসরি ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত না হয়েও নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
এলিস/রিফাত/
আরও পড়ুন
গোপালগঞ্জে মাহবুব আলীকে শেষ বিদায়, জানাজায় হাজারো মানুষ
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৮ পিএম
আপডেট: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->গোপালগঞ্জের জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জেলা সভাপতি মাহবুব আলী খান (৭০) আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউজ)।
গতকাল শনিবার রাত সোয়া ১টার দিকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
রবিবার (১১ অক্টোবর) জোহরের পর গোপালগঞ্জের কেন্দ্রীয় ঈদগাঁহ মাঠে তার জানাজার নামাজ পড়ান থানাপাড়া মসজিদের ইমাম শিবলী আহমেদ।
জানাজায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক শরীফ রফিকুজ্জামান, জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মওলানা আব্দুল হামিদ, নিষিদ্ধ ঘোষিত গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি রুহুল আমিন শেখ সহসভাপতি মুন্সি আতিয়ার রহমান, আইন বিষয়ক সম্পাদ অ্যাডভোকেট জুলকদর রহমান, দপ্তর সম্পাদক ইলিয়াস হক, সাবেক পৌর কাউন্সিলর আল-আমিন ইসলাম, যুবলীগ নেতা কাজী নাহিদ, ছাত্রলীগ নেতা সাহনেওয়াজ খানসহ সামাজিক রাজনৈতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
জানাজায় তিন সহস্রাধিক মানুষের সমাগম ঘটে। পরে জেলা শহরের গেটপাড়ার পৌর কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
মাহবুব আলী খানের মৃত্যুর খবর গোপালগঞ্জে পৌঁছালে স্থানীয় সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।
মাহবুব আলী খান স্বাধীনতার আগে আগে পাকিস্তান ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। সর্বশেষ ২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পান। এর আগে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে চলে যাওয়ার পর থেকে মাহবুব আলী খান আত্মগোপনে ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক মেয়ে ও এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
বাদল সাহা/এসএন
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
গোয়াইনঘাটে ছাত্রদলের সাবেক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৮ পিএম
বদরুল আলম। ছবি: সংগৃহীত
-->সিলেটের গোয়াইনঘাটে বদরুল আলম (৩২) নামে ছাত্রদলের সাবেক নেতাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা সাদেক মিয়া নামে আরও একজন আহত হয়েছেন। তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রবিবার (১১ অক্টোবর) ভোরে গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নের গোরাগ্রাম মসজিদসংলগ্ন সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বদরুল আলম উপজেলার হাদারপার গ্রামের মৃত তজম্মুল আলীর ছেলে। তিনি রুস্তমপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমানে গোয়াইনঘাট উপজেলা যুবদলের পদপ্রত্যাশী ছিলেন।
আরও পড়ুন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা করতেন বদরুল। রবিবার ফজরের নামাজের সময় তার সঙ্গে থাকা সাদেক মিয়ার চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দা সোনা মিয়া ঘটনাস্থলে এগিয়ে যান। এ সময় তুহিন ও শাহিন নামে দুজনকে সুলফি দিয়ে বদরুলকে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে দেখেন তিনি। সোনা মিয়া বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও হামলাকারীরা তার কথা শোনেনি বলে জানান তিনি।
পরে সোনা মিয়া বদরুলের আত্মীয়স্বজনকে খবর দিলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক বদরুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
আরও পড়ুন
নিহতের সঙ্গে থাকা সাদেক জানান, বদরুল ও তিনি মনরতল বাজার থেকে হাদারপারে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। গোরাগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন তাদের পথরোধ করে টাকা, মুঠোফোন ও অন্যান্য মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এতে বদরুল আলম বাধা দিলে হামলাকারীরা তাদের ওপর হামলা চালায়।
নিহত বদরুলের বড় ভাই ও গোয়াইনঘাট উপজেলা খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আখলাকুল আম্বিয়া বলেন, ভোর পৌনে ৫টার দিকে বদরুলের সঙ্গে থাকা সাদেক তার ছোট ভাই মাহবুবকে ফোন করে বাঁচানোর আকুতি জানান। এরপর থেকেই ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক বদরুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, স্থানীয় মনরতল বাজার থেকে ব্যবসার টাকা নিয়ে ফেরার পথে মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে গোরাগ্রামের শাহিন, তুহিন ও মামুনসহ কয়েকজন তার ভাইকে হত্যা করেছেন।
এদিকে, খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় বদরুল ও সাদেকের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
ওসি মো. ওমর ফারুক বলেন, বদরুল ও সাদেকের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শীর মাধ্যমে হামলাকারী একাধিক ব্যক্তির নাম পাওয়া গেছে। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে এবং কারা জড়িত, তা তদন্ত করা হচ্ছে।
রিফাত/
