দেড় দশকেরও বেশি সময় দেশের অর্থনীতিতে যে দুঃশাসন, লুটপাট এবং অরাজকতা চলেছে, তার ফলে অর্থনীতি পুরো ধ্বংসপ্রাপ্ত। ব্যাংকগুলোতে সীমাহীন দুর্নীতি, অর্থ পাচার, রাজনৈতিক বিবেচনায় ঋণ প্রদানসহ হাজারো অপতৎপরতা হয়েছে। মূলধনঘাটতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। রাজস্ব আদায় ২০ বছরের বেশি সময় ধরে একই জায়গায় স্থবির হয়ে আছে। মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের পরিবর্তে অন্যান্য ব্যবসার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়িষ্ণু দশা। আবার, চলমান সংকট মোকাবিলায় সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থার অধীনে প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তার আওতা বাড়ানো হয়েছে। জনগণের যাতে অসুবিধা না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে সরকারি ভর্তুকির পরিমাণ বাড়িয়ে বিভিন্ন বিষয় সমন্বয় করা হয়েছে।...
বর্তমান সরকার এমন একটা সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে যখন পুঞ্জীভূত সংকট সর্বব্যাপী বিরাজ করছিল। প্রলম্বিত মূল্যস্ফীতির কারণে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছিল। সাধারণ মানুষ সঞ্চয় ভেঙে, ধারদেনা করে জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানোর চেষ্টা করছিল। ব্যবসার জন্য বেশির ভাগ মানুষের কাছে যথেষ্ট পুঁজি ছিল না। দেশি-বিদেশি কোনো ধরনের বিনিয়োগই হচ্ছিল না।
শিল্পকারখানা একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। এতে কাজ হারানো মানুষের সংখ্যা বাড়ছিল। এমন আরও অনেক সমস্যা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছে। এসবের সমাধানই বর্তমান সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ। সব সংকট একসঙ্গে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়, পর্যায়ক্রমে সমাধান করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ। দেশে বিনিয়োগের জন্য সবাইকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। বাংলাদেশের সঙ্গে অন্য দেশের সম্পর্ক সমতা ও নায্যতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার জোর দিয়েছে। রাজধানীর সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন খবরের কাগজের বিজনেস এডিটর ফারজানা লাবনী।
খবরের কাগজ: মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক সংকট কবে থামবে তা অনিশ্চিত। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে দেশের অর্থনীতি চাপে পড়েছে। সরকারের সামনে অনেক সমস্যা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকার কোন কোন সমস্যার সমাধানে অগ্রাধিকার দিচ্ছে?
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা এবং সাধারণ জনগণের দৈনন্দিন বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে সরকার সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। দেড় দশকেরও বেশি সময় দেশের অর্থনীতিতে যে দুঃশাসন, লুটপাট এবং অরাজকতা চলেছে, তার ফলে অর্থনীতি পুরো ধ্বংসপ্রাপ্ত। ব্যাংকগুলোতে সীমাহীন দুর্নীতি, অর্থ পাচার, রাজনৈতিক বিবেচনায় ঋণ প্রদানসহ হাজারো অপতৎপরতা হয়েছে। মূলধনঘাটতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। রাজস্ব আদায় ২০ বছরের বেশি সময় ধরে একই জায়গায় স্থবির হয়ে আছে। মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগের পরিবর্তে অন্যান্য ব্যবসার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্ষয়িষ্ণু দশা।
ধারাবাহিকভাবে নিম্নমুখী ও দুর্বল অর্থনীতির মধ্যে বসবাসরত সাধারণ জনগণের ওপর মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের অভিঘাত এসে পড়ায় সাধারণ মানুষের জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। গণতান্ত্রিক সরকার যথাসম্ভব চেষ্টা করছে এ সংকট কাটিয়ে উঠতে। বিশেষভাবে বিনিয়োগ বাড়াতে ও জ্বালানিসংকট দূর করতে। আরও ১০টি বিষয়ের ওপর সরকার গুরুত্ব দিয়েছে: খাতভিত্তিক সংস্কার, ব্যবসায় খরচ কমানো এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই, অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়ন।
খবরের কাগজ: আরও নির্দিষ্ট করে বলবেন যে, সরকার কোন বিষয়গুলো এখন গুরুত্ব দিচ্ছে?
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: বাজেট বাস্তবায়ন ঠিকমতো হচ্ছে কি না এবং মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) কত শতাংশ কর আদায় হচ্ছে। এ ছাড়া জিডিপির তুলনায় কত শতাংশ স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তায় ব্যয় হচ্ছে। আর নীতিকাঠামো ও রাজস্বনীতি ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগকে নিশ্চিত করতে পারছে কি না এবং সেই বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে কি না, এ বিষয়গুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
খবরের কাগজ: বাজারে জিনিসপত্রের দাম কমছে না। জ্বালানিসংকট দূর হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করতে সরকার কী করছে?
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: জনগণের দুর্দশা সম্পর্কে সরকার সম্পূর্ণভাবে অবগত। সরকার অত্যন্ত স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পিত কার্যক্রম গ্রহণ করছে। চলমান সংকট মোকাবিলায় সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থার অধীনে প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তার আওতা বাড়ানো হয়েছে। জনগণের যাতে অসুবিধা না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে সরকারি ভর্তুকির পরিমাণ বাড়িয়ে জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীসহ নিম্নমধ্যবিত্তকে স্বস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যাদির ওপর কর-শুল্কের বোঝা ব্যাপকভাবে কমানো হয়েছে।
খবরের কাগজ: গত অর্থবছরে মোট রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড ঘাটতি রয়েছে। এর মধ্যে এনবিআরের রাজস্ব ঘাটতি প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা। এমন প্রেক্ষাপটেও চলতি অর্থবছরে অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ধরা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণের জন্য সরকার কী করছে?
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: সরকার রাজস্ব আদায় বাড়াতে গভীর ও বিস্তৃত সংস্কার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। জনগণের ওপর করের বোঝা চাপিয়ে নয় বরং একটি ন্যায্য, পূর্বানুমানযোগ্য, প্রযুক্তিনির্ভর ও সর্বজনীন করব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে বিনিয়োগ-উৎপাদন-কর্মসংস্থান-ভোগ-কর চক্রের মাধ্যমে সরকার রাজস্ব আদায়ে গতিবৃদ্ধির চেষ্টা করছে।
খবরের কাগজ: ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে সরকার সুনির্দিষ্টভাবে কি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে?
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: এ বিষয়ে সরকারের নীতি সোজাসাপ্টা। বিনিয়ন্ত্রণকরণ এবং ব্যবসায় খরচ কমানো। এসব বিষয়ে ব্যাপক খাতভিত্তিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। বিনিয়োগকারীদের ভোগান্তি দূর করতে এবং ব্যবসার ব্যয় হ্রাস করার জন্য ওয়ানস্টপ সার্ভিস প্রতিষ্ঠা, নিরাপত্তা ছাড়পত্রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জোগাড়ের সময় বেঁধে দেওয়া হচ্ছে। এ সময়ের ভেতর কোনো সরকারি দপ্তর ছাড়পত্র বা অনুমতি দিতে ব্যর্থ হলে আবেদনকারী স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমতি পেয়ে যাবেন।
খবরের কাগজ: বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকারে শিক্ষা খাতে গুরুত্ব বাড়ানো কথা বলা হয়েছে।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: আমরা শিক্ষা খাতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছি। বর্তমান সরকার বিশ্বাস করে, শিক্ষা হবে জ্ঞান, দক্ষতা, নৈতিকতা, উদ্ভাবনী ও আনন্দময়। শিক্ষার মানোন্নয়নে বিএনপি সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এরই মধ্যে আমরা শিক্ষা খাতে জিডিপির ২ শতাংশ বরাদ্দ রেখেছি। যা গত বছর ছিল ১.৩৯ শতাংশ। টাকার অঙ্কে এ খাতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরে ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা।
খবরের কাগজ: প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। সরকার এ খাতে কতটা গুরুত্ব বাড়িয়েছে?
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: পাঁচ বছরে আমরা স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ ধাপে ধাপে বৃদ্ধি করে জিডিপি ৫ শতাংশে উন্নীত করতে চাই। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে জিডিপির ১.০১ শতাংশ। আমরা স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে চিকিৎসাকেন্দ্রিক ধারা থেকে বেরিয়ে প্রতিরোধকেন্দ্রিক ধারায় নিয়ে যেতে চাই। আমরা স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দকে ব্যয় না বলে বরং মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জাতীয় অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম বিনিয়োগ হিসেবে দেখছি।
খবরের কাগজ: প্রধানমন্ত্রী দেশে আসার পর বলেছিলেন, আই হ্যাব এ প্ল্যান। সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে পারে এমন কিছু কি প্ল্যানে আছে?
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ। এই দেশের সাধারণ মানুষের জন্য প্ল্যানের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে। সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থার অধীনে প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তার আওতা বাড়ানো হয়েছে। জনগণের যাতে অসুবিধা না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে সরকারি ভর্তুকির পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে জ্বালানির মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। উল্লেখ্য, দরিদ্র জনগোষ্ঠীসহ নিম্নমধ্যবিত্তকে স্বস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় ও খাদ্য দ্রব্যাদির ওপর কর-শুল্কের বোঝা ব্যাপকভাবে হ্রাস করা হয়েছে।
খবরের কাগজ: বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর জ্বালানি খাত নিয়ে ব্যাপক সংকট তৈরি হয়েছে। এই সংকট থেকে উত্তরণে বর্তমান সরকার কী করছে?
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: ২০২৯ সালের মধ্যে বড় আকারের অর্থনীতির জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানিনিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। আমি আশা করছি, জ্বালানি খাতে শীতকালের মধ্যে স্বস্তি আসবে। জ্বালানির কার্গোগুলো না আসার বিষয়টি সবাই জানে। সেখানে ‘ফোর্স মেজারস (অপ্রত্যাশিত ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা ঘটনা)’ হয়েছে। ব্যবসায়িক কার্যক্রমে এ ধরনের ঘটনা নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। তবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ওপর অভিঘাত বেশি পড়েছে।
খবরের কাগজ: গ্যাসের সংকট মোকাবিলায় সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে?
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: অতীতে গ্যাস অনুসন্ধানে পর্যাপ্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। একইভাবে দেশের সম্ভাব্য কয়লা সম্পদ ব্যবহারের বিষয়েও কার্যকর উদ্যোগ ছিল না। এখন নতুন করে দেশের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে ব্লক দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের নভেম্বরে অনুসন্ধান ব্লকগুলোর বিষয়ে দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়ায় যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহে তৈরি হওয়া সংকট মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন উৎস ও বিকল্প পরিবহন পথ বিবেচনা করছে। কাতারের পাশাপাশি অন্যান্য উৎস থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কোন উৎস থেকে কী মুদ্রায় জ্বালানি কেনা হবে এবং অর্থায়ন কীভাবে হবে, সেসব বিষয়ও বিবেচনায় নেওয়া
খবরের কাগজ: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো গত ১ জুলাই থেকে বাস্তবায়ন ধরা হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী কবে চাকরিজীবীরা অর্থ হাতে পাবেন? বেতন কাঠামোর বাড়তি অর্থ কোথা থেকে জোগাড় হবে? এসব বিষয়ে সরকার কি ভাবছে?
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: দীর্ঘ প্রায় এক যুগ পরে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো ঘোষণা করা হয়েছে। এই নতুন কাঠামো চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে বাস্তবায়ন ধরা হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী কবে হাতে অর্থ পাবেন চাকরিজীবীরা, সরকার যত দ্রুত সম্ভব এই কাজটি করতে চায়। বেতন কাঠামোর বাড়তি অর্থ কোথা থেকে জোগাড় হবে–তা নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা আছে। তবে এমনভাবে কাজটি করা হবে যেন সাধারণ মানুষের ওপর চাপ না পড়ে।
খবরের কাগজ: বেতন বাড়লে দুর্নীতি কমার নিশ্চয়তা আছে কি?
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: সরকার এমন দাবি করছে না। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে কার্যকর ও যুক্তিসংগত ব্যবস্থা নেওয়া।
খবরের কাগজ: আপনাকে ধন্যবাদ।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর: আপনাকেও ধন্যবাদ।
