Published on
:
2 min read
দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে নতুন বিতর্ক। বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে ‘ফ্রি কাশ্মীর’ এবং ‘ফ্রি শারজিল ইমাম’ স্লোগান লেখা ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন চলছে। সেই আবহেই শুক্রবার সামনে এসেছে এই বিষয়টি। অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে আরএসএস, এবিভিপি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে তুলোধনা করেও স্লোগান লেখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)।
এই স্লোগান বিতর্কের জেরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ক্যাম্পাসের ভিতরেও নিরাপত্তা আঁটসাঁট করা হয়েছে। ক্যাম্পাসের ভিতরে এমন স্লোগান লেখার সমালোচনা করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে। সংবাদসংস্থা সূত্রের খবর, কারা এই স্লোগান লেখার পিছনে রয়েছে সেটা খুঁজে দেখছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ওই স্লোগান মুছে দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। ক্যাম্পাসের অন্দরে সিসিটিভি নিয়েও কাটাছেঁড়া করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কোনও কোনও সিসিটিভি ক্যামেরার ক্ষতি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ।
Delhi: A controversy has erupted after slogans such as 'Free Kashmir' and 'Free Sharjeel Imam' were found written on the walls of Jamia Millia Islamia University. Slogans targeting the RSS, ABVP and the university’s Vice-Chancellor were also found on the walls. The ABVP has objected to the incident and demanded action
— IANS (@ians_india) October 23, 2026
জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন ফের চালুর দাবিতে কয়েক দিন ধরে বিক্ষোভ চলছে। পড়ুয়াদের দাবি, বর্তমান শিক্ষাবর্ষেই ছাত্র সংসদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। ১৮ অক্টোবর দাবিগুলি নিয়ে আলোচনার জন্য ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ১৯ অক্টোবর থেকে পড়ুয়াদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়। ২১ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের নেতৃত্বে হওয়া একটি বৈঠকে ছাত্র সংসদ গঠনের নানা দিক নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। যদিও জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে এখনও স্পষ্ট কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের প্রতিবাদে যোগ দিয়ে শুক্রবার আটক হয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ ইমরান মাসুদ। তাঁর বক্তব্য, ‘ওরা তো আমাদেরই সন্তান, দেশের ভবিষ্যৎ। ওদের জন্য আমি প্রাণ দিতেও প্রস্তুত। কেন ছাত্র সংসদ ফেরানো হবে না? কেন পড়ুয়াদের অধিকার ক্ষুণ্ণ হবে, তাঁদের কণ্ঠরোধ করা হবে?’ সমাজবাদী পার্টির সাংসদ মোহিবুল্লাহ নাদভির দাবি, শুক্রবার তিনি যখন জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র প্রতিবাদে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন, তখন মাঝপথে থামিয়ে তাঁকেও আটক করে পুলিশ। তাঁকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ।