দিনাজপুরে ডেমোক্রেসিওয়াচ আয়োজিত নাগরিক সংলাপে নাগরিকদের অভিমত সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই শিশু ওই নারী নির্যাতন প্রতিরোধ করা সম্ভব
সুশাসন নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার মধ্য দিয়েই শিশু ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধ করা সম্ভব। আইন আছে, কিন্তু আইনের সঠিক প্রয়োগ হচ্ছে না। ফলে নারী এবং শিশু নির্যাতন বাড়ছে। আজ ১২ অক্টোবর শনিবার দিনাজপুর জেলা শহরের বালুবাড়ীস্থ বহুমুখী মহিলা সমিতি কার্যালয়ে আয়োজিত এক নাগরিক সংলাপে এমন অভিমত ব্যক্ত করেছেন অংশগ্রহণকারী নাগরিক সমাজ। জেন্ডার সমতা অর্জন ও বৈষম্য নিরসনে নাগরিক সম্পৃক্ততা ফেসিং প্রকল্পের আওতায় এই সংলাপের আয়োজন করে বেসরকারি সংস্থা ডেমোক্রেসিওয়াচ। নাগরিক প্লাটফর্ম দিনাজপুর এর আহ্বায়ক বিশিষ্ট সাংবাদিক আজহারুল আজাদ জুয়েল এর সভাপতিত্তে অনুষ্ঠিত সংলাপে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুন্নবী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফেসিং প্রকল্পের বিভাগীয় প্রকল্প কর্মকর্তা নুরুন্নবী যুগল। বিষয়বস্তুর উপর প্রেজেন্টেশন করেন মোঃ সেলিম। সংলাপ পরিচালনা করেন ফেসিং প্রকল্পের জেলা কো অর্ডিনেটর মোঃ শহিদুর রহমান। আলোচনা করেন ঝানজিরা সমাজ কল্যাণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোঃ মোস্তফা কামাল, বিশিষ্ট লেখিকা লায়লা চৌধুরী, বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট কোহিনূর পারভিন চিশতি, এডভোকেট রুনা লায়লা, অ্যাডভোকেট ফারজানা ফারহীন ইতু, এডভোকেট রাবেয়া খাতুন রানু, ইয়াদ আলী, মকিদ হায়দার শিপন, মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন, রিতা হেমরম শিউলি বাঁড়া, সুসন্ন তপ্প্য, শাহনাজ পারভিন, সুলতান কামাল উদ্দিন বাচ্চু, মিজানুর রহমান ডোফুরা, রহিমা পারভীন লাভলী, মিনা সুলতানা, মিনহাজুল ইসলাম তারেক প্রমুখ। আলোচকগণ বলেন, সুশাসন নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার মধ্য দিয়েই শিশি ও নারী নির্যাতন প্রতিরোধ করা সম্ভব। বক্তাগণ সুশিক্ষা ও ধর্মীয় অনুশাসনের উপরও গুরুত্ব আরোপ করেন। সম্মানিত অতিথি কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুন্নবী বলেন, পুলিশকে নানান সীমাবদ্ধতার মধ্য দিয়ে কাজ করতে হয়। প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধার অভাব আমাদের কাজে একটি বড় বাধা। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, আমি মডেল থানায় কাজ করি। কিন্তু মডেল গাড়ি নাই । কম্পিউটার নিজের অর্থায়নে কিনতে হয়েছে। কোন অতিথি এলে চা পান অথবা আপ্যায়ন নিজেদের অর্থায়নে করতে হয়। এরপরও আমাদেরকে কাজ করে যেতে হয় জনগণের স্বার্থে। আমরা চেষ্টা করি কাজ করার।নাগরিক সংলাপে জলবায়ু পরিবর্তন, স্থানীয় সরকারের ক্ষমতায়ন, সেবা প্রাপ্তির সমস্যা, নারীর ক্ষমতায়ন, শিশুর সুরক্ষা, সিভিল সোসাইটির দায়িত্ব ও নেটওয়ার্কিং ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় এবং বেশ কিছু অ্যাকশন প্ল্যানের প্রস্তাব করা হয়।
