সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->দুর্গাপূজার নবমীতে রংপুরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টা ৫০মিনিটে সামরিক বিমানে সেখানে পৌঁছান তিনি।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন, রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রউক) চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, বিভাগীয় কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম, ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক ইশরাত জাহান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
আরও পড়ুন
এর আগে, সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে রংপুরের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী রওনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী রংপুর রওনা হয়েছেন। সেখানে রাধা গোবিন্দ মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন এবং পুণ্যার্থীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।’
আরও পড়ুন
শারদীয়া দুর্গাপূজার মহানবমীতে প্রধানমন্ত্রী রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শন করবেন।
প্রেস সচিব বলেন, ‘মহানগরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পর রাতে ঢাকা ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।’
তিনি আরুও বলেন, ‘এই সরকারের নীতি ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। এবার সরকার সারা দেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব ব্যবস্থা নিয়েছে। বরাদ্দ বেড়েছে, ছুটি বেড়েছে এবং পূজামণ্ডপগুলোতে সব ধরনের সহযোগিতা করছে সরকার।’
সালমান/
আরও পড়ুন
শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী আজ
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩১ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মহানবমী আজ (মঙ্গলবার)।
এ দিন থেকে দেবীর বিদায় ঘণ্টা শুরু। দশমীতে কৈলাশে (স্বামীর বাড়ি) ফিরে যাবেন দেবী দুর্গা।
নবমীর সন্ধ্যায় দেবীদুর্গার মহাআরতি করা হয়। মূলত সন্ধিপূজা শেষ হলে শুরু হয় মহানবমী তিথি। এদিন বলিদান ও নবমী হোমের রীতি রয়েছে। এ ছাড়া ১০৮টি নীলপদ্মে পূজা হবে দেবীদুর্গার। পূজা শেষে যথারীতি থাকবে অঞ্জলি নিবেদন ও প্রসাদ বিতরণ এবং মণ্ডপে মণ্ডপে ভক্তদের মধ্যে বইবে বিষাদের সুর।
আরও পড়ুন
হিন্দুশাস্ত্র মতে, দুর্গা রুদ্ররূপ ধারণ করে মহিষাসুর এবং তার তিন যোদ্ধা চন্ড, মুণ্ড এবং রক্তবিজকে হত্যা করেন। নবমী তিথি শুরুই হয় সন্ধিপূজা দিয়ে। সন্ধিপূজা হয় অষ্টমী তিথির শেষ ২৪ মিনিট ও নবমীর সূচনার প্রথম ২৪ মিনিট জুড়ে। মূলত দেবী চামুণ্ডার পূজা হয় এই সময়ে। ১০৮টি মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে ও ১০৮টি পদ্মফুল নিবেদন করা হয় দেবীর চরণে। আর ঠিক এই কারণে পূজার মন্ত্রেও সেই বিশেষত্ব উল্লেখ করা হয়েছে।
বুধবার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।
আরও পড়ুন
তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস আজ
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২০ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস আজ ২০ অক্টোবর। জাতিসংঘের পরিসংখ্যান কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সর্বপ্রথম ২০১০ সালের ২০ অক্টোবর এটি পালিত হয়। প্রতি পাঁচ বছর পরপর বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস পালন করা হয়। সে হিসাবে বিশ্বের ১৪০টি দেশের মতো বাংলাদেশেও গত বছর পালন করে। তাই এবার এ দিবস উপলক্ষে কোনো কর্মসূচি রাখা হয়নি। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানান।
বিবিএস প্রতি মাসে বাজারের তথ্য নিয়ে মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করে। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ছাড়াও বিভিন্ন ইস্যুতে মাঝে মাঝে বিভিন্ন জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। কিন্তু এসব প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশে পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদনের পর তা প্রকাশ করার রেওয়াজ দীর্ঘদিনের। এই নিয়ে অর্থনীতিবিদ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী সব মহলে বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠে।
এমন পরিস্থিতি থেকে সরে আসার চেষ্টা করেন সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। তিনি পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের নেতৃত্বে টাস্ক ফোর্স গঠন করেন। যাতে বিবিএস স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। বিশ্বাসযোগ্য সরকারি ডাটা উৎপাদন হতে পারে। গত বছর বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবসে ট্রাস্কফোর্সের প্রতিবেদন পেয়ে ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেছিলেন ‘বিবিএস এখন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান। বিবিএসের তথ্য উন্মুক্ত থাকা উচিত। তথ্য লুকোচুরি বা কারসাজি করা যাবে না। তারা সরকারের অনুমোদন ছাড়া যেকোনো জরিপের প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারবে। এখন আর কাউকে দেখানোর প্রয়োজন হবে না।’
আরও পড়ুন
টাস্কফোর্স প্রতিবেদন হস্তান্তরের সময় ড. হোসেন জিল্লুর রহমানও বলেছিলেন, ‘পরিসংখ্যান সমাজের মানবজীবনের অপরিহার্য অংশ। বিবিএসকে মানসম্মত তথ্য প্রকাশ করতে হবে। কারণ সময়মতো মানসম্মত তথ্য জ্বালানির মতো।’
কিন্তু এক বছর অতিবাহিত হলেও মূল্যস্ফীতির তথ্য নিয়ে এখনো অনেকের প্রশ্ন জাগে। কারণ গত ২১ সেপ্টেম্বর অকটেন, পেট্রল ও ডিজেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ায় সরকার। এতে পণ্য পরিবহনের খরচ বেড়েছে। ফলে বাজারে চাল, ডাল, সয়াবিন তেল, শাকসবজি, ডিম, মাছ, মাংসের দামও বেড়ে গেছে। তারপরও বিবিএস জানায়, মূল্যস্ফীতি তেমন বাড়েনি। সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ হয়েছে। আগস্টে এই হার ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। অথচ বাজারে ক্রেতারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন। অনেক ক্রেতাই উচ্চমূল্যের কারণে এসব পণ্য কিনতে পারছেন না।
আরও পড়ুন
আরও পড়ুন
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আজ তিন বিভাগে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
-->দেশব্যাপী চলমান শারদীয় দুর্গোৎসবে ঢাকার বাইরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফর করবেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সফরসূচি অনুযায়ী সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামবেন তারেক রহমান। সেখান থেকে রংপুরের ধর্মসভা বা রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শনে যাবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন বিভাগের তিন জেলায় যাচ্ছেন। আজ সকালে তিনি প্রথমে রংপুর, এরপর রাজশাহী এবং সর্বশেষে চট্টগ্রাম যাবেন।
আরও পড়ুন
তিনি আরও বলেন, এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো সরকারপ্রধান ঢাকার বাইরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপগুলোতে পূজারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করবেন।
চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে একই দিন রাতেই তিনি ঢাকায় ফিরবেন বলেও জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।
আরও পড়ুন
এরপর রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে অবতরণ করে দুপুর দেড়টায় ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করবেন তারেক রহমান। পরে রাজশাহী সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম শেষে দুপুর ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় ভাষণ দেবেন।
রাজশাহী থেকে বিমানে করে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। সন্ধ্যায় নগরীর রহমতগঞ্জের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাময়িক বিশ্রাম শেষে রাতে তিনি বিমানযোগে ঢাকা ফিরবেন।
এর আগে গত রবিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার মহাখালী ও বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় ডা. জুবাইদা রহমান তার সঙ্গে ছিলেন।
আজ উদযাপিত হবে দুর্গাপূজার মহানবমী। আগামীকাল প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবে।
আরও পড়ুন
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখতে চাই: পরিবেশমন্ত্রী
প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।ছবি: খবরের কাগজ
-->ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব ধর্মের মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
তিনি বলেন, ‘শারদীয় দুর্গোৎসব চলাকালে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবে।’
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে ফেনী শহরের জয়কালী মন্দিরের দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী সব সময় বলেন, ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার। আমাদের পরিচয় আমরা সবাই বাংলাদেশি। এখানে কে হিন্দু, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান, সেটি বড় কথা নয়। সবাই নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালন করবেন। আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।’
তিনি আরও বলেন, ‘সব ধরনের সাম্প্রদায়িক বৈষম্যের ঊর্ধ্বে উঠে একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
আরও পড়ুন
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু বলেন, ‘আমরা অতীতেও আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। আমরা সবাই মিলেমিশে বসবাস করব।’
হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট পার্থ পাল চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহাবুবউল করিম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলাল এবং জেলা পূজা ঐক্য ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক জ্ঞান শর্মা।
এ সময় জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
পরে মন্ত্রী তার নির্বাচনি আসন ফেনী-৩-এর সোনাগাজী উপজেলার কেন্দ্রীয় মন্দির পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি সাতবাড়ীয়া রাধাগোবিন্দ মন্দিরও পরিদর্শন করেন।
এ সময় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহাবুবউল করিম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জয়নাল আবেদিন বাবলু, সদস্যসচিব সৈয়দ আলম ভূঞা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলম ভূঞা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দীক মারুক, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সমর দাসসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তোফায়েল আহাম্মদ/রিফাত/
