যশোরে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধ, আনসারের তৎপরতায় আটক ৭
যশোর প্রতিনিধি:
যশোরের ঝিকরগাছায় শারদীয় দুর্গোৎসবের নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালনকালে পূজামণ্ডপে কিশোর গ্যাংয়ের সংঘর্ষ প্রতিরোধ করেছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় সংঘর্ষে জড়িত ৭ জন কিশোরকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার ১ নম্বর বারোয়ারি কৃষ্ণনগর পূজামণ্ডপের সামনে এই ঘটনা ঘটে। আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের এই তাৎক্ষণিক ও পেশাদার পদক্ষেপে বড় ধরনের সংঘাত এড়ানো সম্ভব হয় এবং দর্শনার্থী ও পুণ্যার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ জন কিশোরের মধ্যে মারামারি ও সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে তারা পূজামণ্ডপের ভেতরে প্রবেশ করলে সেখানে উপস্থিত দর্শনার্থী ও পুণ্যার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় পূজামণ্ডপের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আনসার ও ভিডিপির সদস্যরা দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবিলায় এগিয়ে আসেন।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় দায়িত্ব পালনরত ৬ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য অত্যন্ত সতর্কতা ও সাহসিকতার সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িত কিশোরদের নিবৃত্ত করেন। এ সময় ৭ জনকে আটক করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়।
এই ঘটনায় দায়িত্ব পালনকারী আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা হলেন- কমান্ডার মো. আব্দুল আলীম, ভিডিপি সদস্য মুছা করিম, আনসার সদস্য মো. আব্দুল হাকিম, আনসার সদস্য মো. রাকিব হোসেন, ভিডিপি সদস্য হাসিবুল ইসলাম এবং আনসার সদস্য মো. আব্দুর রহিম।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে সারা দেশে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আনসার ও ভিডিপির সদস্যরা নিষ্ঠা ও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। যশোরের এই ঘটনা মাঠপর্যায়ে নিয়োজিত আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের তাৎক্ষণিক সাড়াদান ও পেশাদার দায়িত্ব পালনের একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত।
