দেশে যুব সমাজের প্রতিবাদ নিয়ে রিপোর্ট রাষ্ট্রপুঞ্জে, কড়া প্রতিক্রিয়া দিল মোদী সরকারসংগৃহীত
Published on
:
1 min read
ভারতে মানসিক স্বাস্থ্য বা লিঙ্গবৈষম্য নিয়ে আলোচনা করলে তরুণ-তরুণীদের রোষের মুখে পড়তে হয় বা তাঁদের কলঙ্কিত করা হয় বলে রিপোর্ট জমা পড়ল রাষ্ট্রপুঞ্জে। এমনকী, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের প্রসঙ্গও উঠেছে ওই রিপোর্টে। তা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিল ভারত। ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার। একই সঙ্গে ভারতের দাবি, ‘এই কারণেই রাষ্ট্রপুঞ্জ তার বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে।’
রাষ্ট্রপুঞ্জে নিযুক্ত ভারতীয় কূটনীতিক এবং ফার্স্ট সেক্রেটারি অনুজ স্বরূপ বলেছেন, ‘যাচাই না করেই কিছু ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে এই রিপোর্ট তৈরি হয়েছে। দেশের সংবিধানের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিকের বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার সুরক্ষিত রয়েছে। দেশের স্বাধীন বিচারব্যবস্থা, গণমাধ্যম এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এই অধিকার রক্ষা করে।’
রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভায় এই রিপোর্টটি পেশ করেছেন কলম্বিয়ার মানবাধিকার কর্মী জিনা রোমেরো। রাষ্ট্রপুঞ্জের আলোচনা সভায় ওই রিপোর্টকে ‘ নিছক গুজব’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন অনুজ। তিনি বলেছেন, ‘হাস্যকর ব্যাপার হলো এই যে,ওই রিপোর্টেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভারতের যুবসমাজ একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলনে নেমেছে। কিন্তু কোনও দমনমূলক রাষ্ট্রে এই রকম ব্যঙ্গাত্মক মঞ্চ কি সরকারকে প্রশ্ন করতে পারে? রাজধানীতে মিছিল করতে পারে? জাতীয় স্তরের নেতাদের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে পারে?’
