বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) সাবেক মহাব্যবস্থাপক (শিপ পার্সোনেল) ক্যাপ্টেন আমীর মো. আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগের নিষ্পত্তি না করেই তার পদোন্নতির উদ্যোগ নেওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নাবিকেরা।
তার বিরুদ্ধে নিয়োগের যোগ্যতা অর্জন না করা, সমুদ্রযাত্রার অভিজ্ঞতা গণনায় কারচুপি এবং নাবিক নিয়োগে অনিয়মের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। এ ছাড়া তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধান ও আদালতে একটি ফৌজদারি মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে আগামী নভেম্বরে তার পদোন্নতি বোর্ড আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসসি কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি সামনে আসতেই ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত এসব অভিযোগের নিষ্পত্তি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন নাবিকেরা। এর ধারাবাহিকতায় গত ৫ অক্টোবর বিএসসি সী-ম্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ১১৫ পাতার তথ্য-প্রমাণসহ বিভিন্ন দপ্তরে নতুন করে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে।
আরও পড়ুন
নিয়োগের যোগ্যতা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত
আবু সুফিয়ানের নিয়োগের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ এমরান হোসেন একটি তদন্ত পরিচালনা করেন এবং ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রতিবেদন জমা দেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিএসসির উপ-মহাব্যবস্থাপক পদে নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় সমুদ্রযাত্রার অভিজ্ঞতা তার ছিল না।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্লাস-১ সনদ পাওয়ার পর আবু সুফিয়ান মোট ৪০ মাস ১০ দিনের সমুদ্রযাত্রার অভিজ্ঞতা দেখান। তবে এর মধ্যে ‘এমভি আসাদুল্লাহ’ জাহাজে মাস্টার হিসেবে দেখানো ৫ মাস ২ দিনের অভিজ্ঞতা নিয়ে আপত্তি ওঠে। কারণ, জাহাজটি ২০১৪ সালের ৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হলেও তিনি সেখানে ২০১৭ সালের ১ আগস্ট থেকে ২০১৮ সালের ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের তথ্য দেন।

তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়, পরিত্যক্ত জাহাজে দায়িত্ব পালনের সময়কে সমুদ্রযাত্রার অভিজ্ঞতা হিসেবে গণনার সুযোগ নেই। এই সময় বাদ দিলে তার প্রকৃত অভিজ্ঞতা দাঁড়ায় ৩৫ মাস ৭ দিন, যা বিএসসির উপ-মহাব্যবস্থাপক পদে আবেদনের ন্যূনতম শর্ত (৩৬ মাস) থেকে কম। এ কারণে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়।
অভ্যন্তরীণ তদন্ত ও বিভাগীয় মামলা
মন্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে গত ৯ আগস্ট ক্যাপ্টেন আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করে বিএসসি। সংস্থাটির তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেকের স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, উপ-মহাব্যবস্থাপক পদে যোগদানের সময় আবেদনের শর্ত লঙ্ঘনের দায়ে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
আদেশে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (কর্মকর্তা ও কর্মচারী) চাকরি প্রবিধানমালা, ১৯৯৭-এর ৩৮(চ) বিধি অনুযায়ী তাকে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়, যা ৩৯ বিধি অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
অন্যদিকে, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিএসসির মহাব্যবস্থাপক মো. আতাউর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য ছিলেন সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শামীম আহমেদ (সদস্যসচিব) এবং মহাব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন মো. মুজিবুর রহমান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, তদন্তের স্বার্থে নথিপত্র ও মতামত চাওয়া হলেও ক্যাপ্টেন আবু সুফিয়ান তা সরবরাহ করেননি। এমনকি দুই দফায় তলব করা সত্ত্বেও তিনি কমিটির সামনে উপস্থিত হননি। লিখিত বক্তব্য ও ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও তা গ্রহণ না করে তিনি তদন্ত কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করেছেন উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে কমিটি।
সমুদ্রযাত্রার অভিজ্ঞতা গণনায় অসংগতি
ক্যাপ্টেন আবু সুফিয়ানের পেশাগত যোগ্যতা ও ক্লাস-১ সনদের বৈধতা নিয়ে ওঠা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পৃথক তদন্ত পরিচালনা করে নৌপরিবহন অধিদপ্তর। বিএসসির চিঠির ভিত্তিতে গঠিত এই তদন্তের প্রতিবেদন ২০২৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি জমা দেন অধিদপ্তরের তৎকালীন মহাপরিচালক কমডোর মোহাম্মদ মাকসুদ আলম।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৪ সালের ২৮ জানুয়ারি নৌপরিবহন অধিদপ্তর থেকে আবু সুফিয়ানের নেওয়া ক্লাস-১ সনদটি সঠিক ছিল। তবে তার সমুদ্রযাত্রার অভিজ্ঞতা গণনায় সুস্পষ্ট অসংগতি পাওয়া যায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্লাস-৩ সনদ পাওয়ার পর নেভিগেটিং ওয়াচকিপিং অফিসার হিসেবে তার প্রকৃত সমুদ্রযাত্রার সময়কাল ছিল ৩৯ মাস ৪ দিন। কিন্তু বিধিমালা অনুযায়ী তার স্বীকৃত ও গণনাযোগ্য অভিজ্ঞতা ছিল মাত্র ৩১ মাস ২০ দিন, অথচ ক্লাস-১ সনদের আবেদনের জন্য কমপক্ষে ৩৬ মাসের অনুমোদিত সমুদ্রযাত্রার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন ছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, লাইটারেজ জাহাজে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে মোট সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত সমুদ্রযাত্রার অভিজ্ঞতা হিসেবে গণনার বিধান রয়েছে। কিন্তু তৎকালীন সময়ে নৌপরিবহন অধিদপ্তর ভুলবশত লাইটারেজে তার দায়িত্ব পালনের পুরো সময়টাই অভিজ্ঞতা হিসেবে গণনা করে ফেলেছিল। মূলত ওই ভুল হিসাবের ওপর ভর করেই অন্যান্য প্রার্থীর মতো আবু সুফিয়ানও প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন বলে নথিতে উল্লেখ করা হয়।
দুদকের অনুসন্ধানে বিভিন্ন নথি তলব
ক্যাপ্টেন আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, নাবিকদের হয়রানি, নিয়োগে অনিয়ম ও বেতনবৈষম্যের নানাবিধ অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে গত ১৫ মার্চ সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (প্রতিরোধ-২) মো. ইসমাঈল বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে চিঠি পাঠায়। চিঠিতে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নথিপত্র তলব করা হয়।
দুদকের চাওয়া নথিগুলোর মধ্যে নাবিক আব্দুর রহমানকে ‘এমটি বাংলার অগ্রযাত্রা’ জাহাজে পদায়ন এবং একটি বেসরকারি মেরিন একাডেমির একজনকে ইলেকট্রো-টেকনিক্যাল অফিসার পদে নিয়োগের সুপারিশসংক্রান্ত কাগজপত্র অন্যতম। এ ছাড়া ‘বাংলার সমৃদ্ধি’ জাহাজকে যুদ্ধাঞ্চলে প্রবেশ না করার বিষয়ে দেওয়া সুপারিশের নথির বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে বিএসসি ও সী-ম্যান্স অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে সম্পাদিত দ্বিপক্ষীয় চুক্তি, নাবিকদের বেতন বৃদ্ধির সার্কুলার এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আগের তদন্ত প্রতিবেদনের অনুলিপিও চায় দুদক।
নতুন করে সরব নাবিকেরা
গত ৫ অক্টোবর ক্যাপ্টেন আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে ১১৫ পাতার বেশি তথ্য-প্রমাণ সংযুক্ত করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, দুদক ও নৌপরিবহন অধিদপ্তরে অভিযোগ দেয় বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন সী-ম্যান্স অ্যাসোসিয়েশন।
সংগঠনটির সহ-সভাপতি সৈয়দ আমান উল্লাহ ঢাকা পোস্টকে বলেন, আবু সুফিয়ানের দায়িত্ব পালনকালে বিএসসির ছয়টি জাহাজে অদক্ষ ক্যাপ্টেন ও প্রধান প্রকৌশলী নিয়োগ এবং বিধি লঙ্ঘন করে বেশি ডলারে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতি করা হয়েছে।
জাহাজে যোগদান ও চাকরি টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে নাবিকদের ওপর অনৈতিক চাপ প্রয়োগ এবং পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
সৈয়দ আমান উল্লাহ আরও অভিযোগ করেন, বাংলার সৌরভ জাহাজের কার্পেন্টার হিসেবে যোগ দেওয়ার পাঁচ মাস পর তাকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে নামিয়ে দেওয়া হয় এবং পরে আর যোগদানের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এমটি বাংলার অগ্রগতি জাহাজে দায়িত্ব পালনের সময় চোখ ও মস্তিষ্কে আঘাত পাওয়ার পরও মেরিন ইলেকট্রো-টেকনিক্যাল অফিসার মো. আলাউদ্দিন চিকিৎসা, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অর্থ পাননি। ট্রেইনি ফায়ারম্যান মো. সোহানূর রহমান সোহানের কাছে জাহাজে যোগদানের জন্য দুই লাখ টাকা দাবি এবং ব্রাজিলে তিন নাবিকের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আবু সুফিয়ানের যোগসাজশ রয়েছে।
সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, আগের তদন্তের সুপারিশ ও বিভাগীয় মামলার পরও অভিযোগগুলোর কার্যকর নিষ্পত্তি হয়নি। নতুন অভিযোগে পেশাগত যোগ্যতার সনদ, সমুদ্রযাত্রার অভিজ্ঞতা, নাবিক নিয়োগ, চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ, স্বজনপ্রীতি, বেতনবৈষম্য ও হয়রানির বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।
বর্তমানে বরিশাল বাংলাদেশ মেরিন একাডেমিতে সংযুক্ত থাকা ক্যাপ্টেন আমীর মো. আবু সুফিয়ান নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, শিপ পার্সোনেল বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে নিয়মের বাইরে কাউকে সুবিধা না দেওয়া এবং অন্যায় তদবিরে সাড়া না দেওয়ার কারণেই একটি বিশেষ পক্ষ তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে অপপ্রচার ও মিথ্যা অভিযোগ চালিয়ে যাচ্ছে।
আবু সুফিয়ান ঢাকা পোস্টকে বলেন, গত কয়েক বছরে আমি অনেকগুলো তদন্ত মোকাবিলা করেছি। আমার বিরুদ্ধে নাবিকরা বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন। এখন মানুষ অভিযোগ কেন দেয়? নিশ্চয়ই তাদের স্বার্থে আঘাত লেগেছে। নাবিকদের হয়রানির বা কোনো দাবি-দাওয়ার কোনো বিষয় থাকলে তাদের সংগঠন অভিযোগ দিতে পারে। কিন্তু যোগ্যতা ছাড়া নিয়োগের বিষয়টি তাদের দেখার নয়। এটি দেখবে বিএসসি কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া আমি নাবিকদের বিভাগ ছেড়েছি আড়াই বছর আগে। এখনো তারা কেন আমার পেছনে লেগে আছেন, বুঝতে পারছি না।
তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের যেটি প্রতিবেদন সেটি বিএসসি থেকে তৈরি করে দেওয়া হয়েছে, যুগ্ম সচিব সেটি সই করেছেন মাত্র। অভ্যন্তরীণ তদন্তের দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তার নিকটাত্মীয়ের নাবিক হিসেবে নিয়োগ নিয়ে বিরোধের জেরে আমার বিরুদ্ধে প্রতিবেদন হয়েছে। সরকারি বিধির বাইরে গিয়ে অন্যায় তদবিরের মাধ্যমে নাবিক নিয়োগ দেইনি বলেই আমার ওপর কয়েকজন ক্ষুব্ধ। সী-ম্যান্স অ্যাসোসিয়েশনকে মূলত ব্যবহার করছেন কয়েকজন কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, আর আমার বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত শেষপর্যায়ে এবং আশা করছি, তারা আমার কোনো দায় পাবেন না। আদালতে এক নাবিক কয়েক বছর আগের ঘটনা দেখিয়ে একটি মামলা করেছেন। এটি সিআইডিকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই কথিত মামলা দেখিয়ে আমার পদোন্নতি আটকে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর ফজলার রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনসহ নানা অভিযোগ করেছেন নাবিকেরা। আবার তিনিও কয়েকজনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা এগুলো খোঁজ নিয়ে যাচাই-বাছাই করে দেখছি। আবু সুফিয়ানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে। তবে সেটি লঘুদণ্ড তথা ভর্ৎসনা করে শেষ করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দুদকের অনুসন্ধানও চলমান আছে। আগামী নভেম্বরে তার পদোন্নতির বোর্ড রয়েছে। আমরা সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। কেউ যাতে অবিচার কিংবা অন্যায়ের শিকার না হন, সে বিষয়ে আমরা সচেষ্ট থাকব।
এমআর/এমএসএ
