Published on
:
2 min read
‘ইনজেকশন’- এর নাম শুনলে ছোট থেকে বড় সকলেই ভয় পেয়ে থাকেন। বিশেষ করে শিশুরা, ইনজেকশনের নাম শুনলেই আর ডাক্তারের কাছে যেতে চায় না। এই অস্বস্তিকর অনুভূতি কাটাতেই দক্ষিণ ক্যারোলিনার কলোম্বিয়ার চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী কাইলিন ব্রাউন অভিনব এক উপায় বার করলেন। ইনজেকশনকে ভয় না পেয়ে সেটিকে একটি মজার অভিজ্ঞতা করে তুলতে চায় সে। তখন কাইলিন তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ত। অল্প বয়সেই কাইলিন একটি স্টিকি প্যাচ আবিস্কার করে। যার নাম দেয় ‘স্টিকি পালস উইথ ম্যাজিক মেডিসিন’। যা চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় ‘মট মিলিয়ন ডলার চ্যালেঞ্জ’-এর অনুষ্ঠানে সকলের সামনে উপস্থাপন করে সে। এই ভাবনা প্রকাশ করে ২৫,০০০ ডলার পুরস্কার পায় সে।
কাইলিন নিজেই ইনজেকশন নিতে ভয় পেত। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই কাইলিন ভাবতে শুরু করে কী ভাবে এই ভয় থেকে নিজে ও অন্যদের মুক্তি দেবে। এ ভাবেই ‘স্টিকি পালস উইথ ম্যাজিক মেডিসিন’-এর ধারণা তার মাথায় আসে। এক একটি কার্টুনের চরিত্রের স্টিকি প্যাচ তৈরি করে কাইলিন। ইউনিকর্ন, ডাইনোসরের মতো বিভিন্ন প্রাণীর আদলে তৈরি এই প্যাচে ত্বক অবশ করার ওষুধ হিসেবেও ব্যবহার পরিকল্পনা রয়েছে। চিকিৎসাক্ষেত্রে এর কার্যকারিতা পরীক্ষিত নয়। কিন্তু তার এই অভিনব ভাবনা কিশোর-কিশোরী থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
এক সাক্ষাৎকারে কাইলিন এই স্টিকি প্যাচের কী ভাবে ব্যবহার করতে হবে তাও জানিয়েছে। তার কথায়, ‘শিশুদের মন ডাইভার্ট করার জন্য তাদের কোনও খেলনা বা পরিচিত ও আকর্ষণীয় জিনিস দিতে হবে। রোগীর ইনজেকশন দেওয়ার জায়গায় লাগাতে হবে ওই স্টিকি প্যাচ। ওই কার্টুন চরিত্রের মুখের ছিদ্র দিয়ে পুশ করা হবে ইনজেকশন।’
