দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২০ আগস্ট থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১২২টি মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন মামলায় ৬৬টি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) অনুমোদন করেছে কমিশন। এ ছাড়া ঘুষ লেনদেনের সময় হাতেনাতে ধরতে ৬১টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থাটির উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম আজ বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই সময়ে আদালতের আদেশে ৬৮ জন ব্যক্তির স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ ও ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করা হয়েছে। এ ছাড়া দুর্নীতির অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২২ জন ব্যক্তির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
জাতীয় সংসদ ভবনের প্লেনারি হলে স্থাপিত এসআইএস সিস্টেম পরিচালনা, মেরামত, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের নামে শতকোটি টাকা আত্মসাৎ এবং বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান করছে দুদক। এই অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগে কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাহিদুর রহিম জোয়ারদারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে। এ ছাড়া ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্বাস্থ্য খাতে চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনাকাটার মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং অতিরিক্ত মূল্য দেখিয়ে (ওভার ইনভয়েসিং) বিদেশে অর্থ পাচারের অপর এক অভিযোগেও জাহিদুর রহিমের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে কমিশন।
এদিকে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে খুলনা-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. রশিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে সংস্থাটি।
